• শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

এই নরপিশাচ!তুই আমার সন্তানের বুকে গুলি করলি কেন?

নুর আহমদ সিদ্দিকী / ৭ দেখেছেন
আপলোড : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

উত্তাল সারা দেশ।বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন তখন তুঙ্গে।ইতোমধ্যে আবু সাঈদ কে গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ।আবু সাঈদ শহীদ হবার পর সর্বপ্রথম রাজপথে নামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সেদিন ১৮ জুলাই’২৪ইং।সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ঢাকার বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম পীর সাহেব চরমোনাই।সেদিন পীর সাহেব চরমোনাইর বক্তব্যে পুরো দেশ জেগে উঠেছিল।তিনি পুলিশ কে লক্ষ্য করে বলেছিলেন,এই নরপিশাচ! তুই আমার সন্তানের বুকে গুলি করলি কেন? সেদিনের ১০ মিনিটেে বক্তব্যে মোটামোটি সারা দেশের মানুষকে নতুন করে উজ্জীবিত করে।যখন বিএনপি,জামায়াতসহ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা আত্মগোপন সেই সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতারা।দলটির আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম, নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিমসহ শীর্ষ নেতা থেকে তৃণমূল নেতৃবৃন্দ সবাই শুরু থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজপথে ছিলেন।৫জুলাই সর্বপ্রথম বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পক্ষে সমর্থন জানান দলটির নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিম। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে দলটির ছাত্র,যুবসহ সব সহযোগি ও অঙ্গসংগঠন রাজপথে ছিলেন। ১৮ জুলাই পীর সাহেব চরমোনাই ছাত্রদের সাথে তাদের অভিভাবকদেরও মাঠে নামতে আহবান জানান।১৯ জুলাই দলটির যুব সংগঠন ইসলামী যুব আন্দোলন এর প্রতিবাদ সমাবেশ ছিলো বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তম গেইটে।সেখানেও প্রধান অতিথি ছিলেন পীর সাহেব চরমোনাই।সেদিন অল্পের জন্যে প্রাণে বেঁচে যান তিনি । হেলিকপ্টার থেকে গুলি করেছিল স্বৈরাচার বাহিনী। এরপর থেকে ৫আগস্ট সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে ছিলো দলটি।৫আগস্ট দলটির নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিম এর নেতৃত্বে সর্বপ্রথম কারফিউ ভঙ্গ করে লক্ষ লক্ষ জনতার মিছিল নিয়ে গণভবনে দিকে রওনা করেন।চব্বিশের জুলাই বিপ্লবে রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রকাশ্যে রাজপথে ছিলো একমাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। অন্যান্য রাজনৈতিক দল ছিলো কৌশলী ভূমিকায়।ইসলামী আন্দোলন যা করে তা প্রকাশ্যে করে।গোঁজামিলের রাজনীতি দলটি করতে পারে না।এই জন্যে তারা ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে গিয়েও আদর্শ বিসর্জন না দিয়ে সত্যের পথে অটল থাকতে একলা চলো নীতি বেছে নিয়েছেন।দলটির জন্য দোয়া ও শুভকামনা অন্তহীন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..