• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :

প্রশাসনের আশ্বাসেও মেলেনি সমাধান: আনোয়ারায় কেপিজেড অভিমুখে ফের আন্দোলনের ডাক

​আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: / ৭৬ দেখেছেন
আপলোড : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলায় অবস্থিত কোরিয়ান ইপিজেড (KEPZ), কাফকো, সিএফএল এবং চায়না ইকোনমিক জোনসহ বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের দাবিতে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। প্রশাসনের অনুরোধে এক সপ্তাহ আন্দোলন স্থগিত রাখা হলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় পুনরায় নতুন কর্মসূচির আভাস দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
​ঘটনার বিবরণ:
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিল্পাঞ্চলগুলোতে স্থানীয় শিক্ষিত বেকার যুবকদের নিয়োগে অগ্রাধিকার না পাওয়ায় দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে এই আন্দোলনের সূত্রপাত। সম্প্রতি স্থানীয়রা আন্দোলনের ডাক দিলে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিশাল সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়।
​প্রশাসনের আশ্বাস ও সাময়িক স্থগিত:
আন্দোলনের আগের রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রানা ও তার সহযোগীদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিল্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের জন্য সাত দিনের সময় চাওয়া হয়। প্রশাসনের আশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেন।
​ক্ষোভ ও বর্তমান পরিস্থিতি:
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, নির্ধারিত এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া বা আলোচনার অগ্রগতি জানানো হয়নি। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে পুনরায় চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ করে স্থানীয়দের ন্যায়সঙ্গত দাবিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
​নতুন কর্মসূচির প্রস্তুতি:
আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় স্থানীয়দের চূড়ান্ত প্রস্তুতির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আনোয়ারার ১১টি ইউনিয়নের কোরিয়ান ইপিজেড (KEPZ)-এ চাকরি প্রত্যাশী ভাই-বোনেরা সকলে সিভি প্রস্তুত রাখেন। এক সপ্তাহের মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান না আসলে আমরা আবারও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পথে হাঁটবো।”
​ইতিমধ্যেই এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। দ্রুত সমাধান না এলে এবার আরও বড় পরিসরে রাজপথ দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..