• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
বাঘাইছড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এমপি জসিম উদ্দিন ও সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিনকে নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বোয়ালমারীতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ; ১৬ জনের নামে মামলা আত্রাইয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সমন্বয় সভা ও ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত নড়াইলে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিহত ২ জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বোয়ালমারীতে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ—আহত অন্তত ২০

নিজস্ব প্রতিনিধি আব্দুল মতিন মুন্সী বোয়ালমারী (ফরিদপুর): / ৪৭ দেখেছেন
আপলোড : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এ সময় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়সহ একাধিক দোকান ও বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় নারী-পুরুষসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের কমলেশ্বরদী চরপাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার বাসিন্দা বিল্লাল হোসেনের প্রায় ২১.৫০ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মুশা ও তার সহযোগীরা ২০২০ সালে ওই জমির একটি অংশ দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেন। এ নিয়ে একাধিকবার মামলা-মোকদ্দমাও হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একটি সালিস বৈঠকের কথা থাকলেও চেয়ারম্যানপক্ষ সেখানে উপস্থিত হয়নি। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় তালা ঝুলিয়ে দেন। এর জের ধরে শনিবার বিকেলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, চেয়ারম্যানপক্ষের সমর্থকরা চরপাড়া বাজার এলাকায় এসে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একই সঙ্গে ছিরু মাতুব্বরের সারের দোকান, জাহিদুল ইসলামের বাড়ি এবং স্থানীয় এক ছাত্রনেতার বাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের দাবি, শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এ হামলায় অংশ নেয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের একজন বিল্লাল হোসেন অভিযোগ করেন, আদালতের রায় থাকার পরও তিনি জমির দখল পাননি এবং হামলার মাধ্যমে তাকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

অন্যদিকে ছিরু মাতুব্বর জানান, তার সারের দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে এবং তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মুশা দাবি করেন, তার পক্ষের লোকজনকে উসকানি দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিপক্ষ নিজেরাই ভাঙচুর চালিয়ে তাদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।

এবিষয়ে বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা-মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আজম খান বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..