রাঙামাটি শহরের মহিলা কলেজ এলাকায় ৭ বছরের কন্যা শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত কিশোর আব্দুর রহমান মুন্নাকে গ্রেফতার করেছে রাঙামাটির কোতয়ালী থানা পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার আগেই শহরের পুরাতন বস্তি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। অভিযুক্ত কিশোর মহিলা কলেজ এলাকার পেয়ার আহাম্মদ এর সন্তান।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি জসিম উদ্দিন প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনার পর থেকেই উক্ত অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিমকে মাঠে নামিয়েছেন রাঙামাটির পুলিশ সুপার রকিব উদ্দিন। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্যে এসপির নির্দেশনায় শুক্রবার বিকেল ৪ টার কোতয়ালী থানাধীন পুরাতন বস্তি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে শিশু ধর্ষণ এর মূল অভিযুক্ত আব্দুর রহমান মুন্না ( ১৩ ), পিতা – পিয়ার মোহাম্মদ পিয়ারু, মাতা – তানজু বেগম, সাং – কোতয়ালী, জেলা – রাঙ্গামাটি’কে গ্রেফতার করা হয়।এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যারাতে মহিলা কলেজ এলাকায় নিজ ঘরের সামনে অবস্থানকালে ৭ বছর বয়সী চাচাতো বোনকে জোরপূর্বক তুলে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে আব্দুর রহমান মুন্না। পরবর্তীতে মুন্না যৌন নির্যাতনে উক্ত শিশুটির রক্তক্ষরণ হতে থাকলে শিশুটির বড়বোন বিষয়টি লক্ষ্য করে তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে ধর্ষণের বিষয়টি জানায় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এসময় তার রক্ত হতে থাকলে তাকে দ্রুত রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পরেও রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম রেফার্ড করা হয় বলে জানিয়েছেন কর্তৃব্যরত চিকিৎসক। বর্তমানে শিশুটি চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে কোতয়ালী থানা সূত্র জানিয়েছে।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় পুরো রাঙামাটি শহরজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে ২৪ ঘন্টা পার হওয়ার আগেই পুলিশ মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আইনেও আওতায় আনায় অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়ানোর পাশাপাশি আইনের শাসন নিশ্চিতে একধাপ এগিয়ে বলে মন্তব্য করছেন সচেতনমহল।