জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংসদ কর্তৃক ফলাফল উন্নয়ন সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধনে উপাচার্যের আবেদন জানিয়ে গত ৩রা মে ২০২৬ ইং। জকসু ভিপি, সাধারণ সম্পাদক ও সহ- সাধারণ সম্পাদক এর স্বাক্ষরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ফলাফল সংক্রান্ত শিক্ষার্থীদের সমস্যা। আবেদন বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধি এবং ন্যায্য মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান ইমপ্রুভমেন্ট (Improvement) সংক্রান্ত নীতিমালায় কিছু সংশোধন আনা একান্ত প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। বর্তমানে কোনো বিষয়ে ইমপ্রুভমেন্ট দেওয়ার সুযোগ জিপিএ ২.৭৫ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা অনেক ক্ষেত্রে মেধাবী শিক্ষার্থীদের তাদের প্রকৃত সামর্থ্য অনুযায়ী ফলাফল উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে।
এ প্রেক্ষিতে, আমরা বিনীতভাবে প্রস্তাব করছি যে-
১. কোনো বিষয়ে জিপিএ ৩.০০ (৩ পয়েন্ট) পর্যন্ত প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করা হোক।
এছাড়াও, অনেক ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় যে, শিক্ষার্থীরা ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও পূর্ণ জিপিএ (৪.০০) প্রদান করা হয় না। এটি শিক্ষার্থীদের প্রতি অবিচারস্বরূপ এবং তাদের মনোবলকে ক্ষুণ্ণ করে। তাই আমরা প্রস্তাব করছি যে-
২. কোনো শিক্ষার্থী ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করলে তাকে পূর্ণ জিপিএ ৪.০০ প্রদান নিশ্চিত করা হোক।
উপরোক্ত প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক দক্ষতা আরও উন্নত করতে উৎসাহিত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার মানও বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
অতএব, মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের নিকট আমাদের বিনীত আবেদন, উল্লিখিত প্রস্তাবসমূহ বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি যৌক্তিক দাবি “ফলাফল উন্নয়ন (Improvement)” নীতিমালার সংস্কারের প্রস্তাবনা
গত পরশুদিন মাননীয় উপাচার্য স্যারের নিকট উপস্থাপন করেছি।
এ বিষয়ে উপাচার্যেট সাথে অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে জকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ আল ফারুক।
তিনি বলেন, উপাচার্য বিষয়টির বাস্তবতা ও গুরুত্ব অনুধাবন করে জানিয়েছেন, অতীতে তিনিও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশ্বাস দিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য স্বার্থ বিবেচনায় তিনি তার অবস্থান থেকে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অসংখ্য শিক্ষার্থীর একাডেমিক যাত্রা সুন্দর ও সম্ভাবনাময় হবে।