• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
বাঘাইছড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এমপি জসিম উদ্দিন ও সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিনকে নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বোয়ালমারীতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ; ১৬ জনের নামে মামলা আত্রাইয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সমন্বয় সভা ও ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত নড়াইলে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিহত ২ জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুক্তাগাছায় ইটের সলিং প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিম্নমানের কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী, দ্রুত তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৩০ দেখেছেন
আপলোড : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি অর্থ বরাদ্দের তুলনায় বাস্তব কাজের মান অত্যন্ত দুর্বল এবং এতে জনস্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মুক্তাগাছা উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে কাশিমপুর আব্দুল কাদিরের বাড়ি হতে মজিদ মন্ডলের বাড়ি পর্যন্ত ইটের সলিং করণ প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয় ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন ঠিকাদার মো. ফখরুল মিয়া।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তায় নিম্নমানের ও ভাঙাচোরা ইট ব্যবহার করা হয়েছে। এতে নতুন নির্মিত সড়কের স্থায়িত্ব নিয়েই দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এলাকাবাসী জানান, বহুদিনের প্রত্যাশিত এই রাস্তাটি মানুষের দুর্ভোগ কমানোর কথা থাকলেও কাজের মান নিয়ে এখন জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় জনগণ গণমাধ্যমকে বলেন, এই রাস্তা আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। কিন্তু কাজের নামে অনিয়ম করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। সরকারি টাকার সঠিক ব্যবহার হয়নি। দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলদের তদারকির ঘাটতি ছিল স্পষ্ট। তাদের ভাষ্য, মাঠপর্যায়ে কার্যকর নজরদারি থাকলে নিম্নমানের কাজ করার সুযোগ থাকত না।

৪ নং কাশিমপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিকরা বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বারবার একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় একটি চক্র পার পেয়ে যাচ্ছে। এতে সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, ব্যয়ের হিসাব যাচাই এবং কাজের গুণগত মান পরীক্ষা করে প্রকৃত চিত্র জনসম্মুখে প্রকাশ করা হোক। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারিও দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ঠিকাদার মো. ফখরুল মিয়া ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..