• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
বোয়ালমারীতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ; ১৬ জনের নামে মামলা আত্রাইয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সমন্বয় সভা ও ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত নড়াইলে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিহত ২ জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে রায়পুরায় খাল খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের শিগগিরই উদ্বোধন হবে-ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি সুন্দরবনে জোংড়া খাল এলাকায় বন বিভাগের অভিযান ৪টি নৌকা ও শুটকি তৈরির সরঞ্জাম জব্দ

কুড়িগ্রামে ধরলায় ১৭৫০ মিটার সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চীনা প্রতিনিধি দল

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি / ১৭ দেখেছেন
আপলোড : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে স্থান পরিদর্শন করেছেন চীনের রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকায় গিয়ে তারা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান ও কারিগরি বিষয় পরিদর্শন করেন।

চীনা রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী জাইয়া সাইয়ের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন, বিজনেস ম্যানেজার ইউ জিগিং, মার্কেটিং ম্যানেজার ওয়াং জিংওয়েই, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার পেংটাও এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শানতোনো।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী, কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিবসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

জানা যায়, সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকায় ধরলা নদীর ওপর প্রায় ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা দিয়েছে এলজিইডি। দীর্ঘদিন ধরে ধরলা নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, সেতুটি নির্মিত হলে তিন উপজেলার প্রায় ৮ লাখ মানুষের যাতায়াতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি সোনাহাট স্থলবন্দরকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহনেও গতি আসবে, যা এ অঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশের সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী বলেন,

ঈদের পর একটি স্টাডি টিম এসে সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা ও বিস্তারিত সুবিধা নিয়ে কাজ করবে। তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..