সুন্দরবনে জীব,বৈচিত্র বন্যপ্রাণী ও মৎস্যসম্পদের প্রজনন সুরক্ষায় আগামী ১ জুন থেকে টানা তিন মাস সকল ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ।এ সময় জেলে বাওয়ালি, মৌয়ালি, গোলপাতা সংগ্রহকারী থেকে শুরু করে সকল পর্যটক সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারবে না এরই ধারাবাহিকতায় নিয়মিত টহল ও কঠোর নীতি প্রয়োগ করছে সুন্দরবনের পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা ।
চাঁদপাই ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা দ্বীপন চন্দ্র দাস বলেন, আমরা ৩১/০৫/২০২৬ রাত ১২ঃ০০ থেকে কঠোর অবস্থান নিয়েছি আমরা অতিরিক্ত স্মার্টপেট্রলিং সকল আউটার ক্যাম্প অফিসকে নিয়মিত ডিউটি এবং অতিরিক্ত টহলের ব্যবস্থা করেছি, সুন্দরবনের কেহ অবৈধভাবে প্রবেশ এবং মৎস্য আহরণ করতে না পারে সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখছি।
চাঁদপাই ফরেস্ট রেঞ্জ সহকারি মোস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, আমরা গত ০১/০৬/২০২৬ তারিখ রাত্র আনুমানিক ১:১৫ ঘটিকার সময় পশুর সংলঙ্গ চারাখালির ভাড়ানির মুখে অভিযান চালিয়ে, একটি ডিঙ্গি নৌকা দেখতে পাই,আমরা তাদেরকে ডাক দিলে তারা নৌকা রেখে বনের গভীরে পালিয়ে যাই,পরে নৌকাটি তল্লাশি করে বিষ প্রয়োগ করা চিংড়ি মাছ আনুঃ ৫০ কেজি জব্দ করি, এবং বিষ প্রয়োগকৃত মাছ গুলো রাতেই মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়,
বন বিভাগ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞাকালে কোনো ধরনের পাস বা পারমিট ইস্যু করা হবে না। কেউ অবৈধভাবে বনে প্রবেশ করলে বন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে যৌথ টহল ও নজরদারি জোরদার করা হবে।