• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
হেডলাইন :

মৈমনসিংহ-গীতিকা সম্পাদক দীনেশচন্দ্র সেন তৎকালীন জগন্নাথ স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন

সীমান্ত, জবি প্রতিনিধি : / ৬০ দেখেছেন
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

দীনেশচন্দ্র সেন ১৮৬৬ সালের ৩ নভেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার বগজুরি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।। তার পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার সুয়াপুর গ্রামে। পিতা ঈশ্বরচন্দ্র সেন মানিকগঞ্জ আদালতের উকিল ছিলেন,মাতা রূপলতা দেবী।

 

দীনেশচন্দ্র সেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন জগন্নাথ স্কুল থেকে এনট্রান্স পাশ করেন ১৮৮২ সালে। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে এফ.এ (১৮৮৫) পাস করেন এবং ১৮৮৯ সালে বি.এ ডিগ্রি লাভ করেন।

 

তিনি কর্মজীবন শুরু করেন সিলেটের হবিগঞ্জ স্কুলে শিক্ষকতা দিয়ে (১৮৮৭)। পরে তিনি কুমিল্লার শম্ভুনাথ ইনস্টিটিউশন (১৮৮৯) ও ভিক্টোরিয়া স্কুল (১৮৯০)-এর প্রধান শিক্ষকের পদে যোগদান করেন।

 

১৮৯০-এ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন কালে গ্রামবাংলার বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে প্রাচীন বাংলার পুঁথি সংগ্রহ করেন এবং সেসব উপকরণের সাহায্যে ১৮৯৬-এ “বঙ্গভাষা ও সাহিত্য” শিরোনামে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনা করেন। ১৯১১ সালে তার সুবিখ্যাত গ্রন্থ “হিস্ট্রি অব বেঙ্গলি লিটেরেচার” প্রকাশিত হলে তা সর্বমহলের ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করে। ১৯১৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে “রামতনু লাহিড়ী রিসার্চ ফেলোসিপ” প্রদান করে এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি মৈমনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা সম্পাদনা করেন।

 

১৯২১-এ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি.লিট ডিগ্রী এবং ১৯৩১-এ “জগত্তারিণী স্বর্ণপদক” প্রদান করেন। ১৯২১-এ ভারত সরকার তাকে “রায় বাহাদুর” উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯২৬-এ মৈমনসিংহ গীতিকা গ্রন্থটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। শ্রী দীনেশচন্দ্র সেন রচিত গবেষণাধর্মী “বৃহৎবঙ্গ” গ্রন্থটি বাঙালীর ইতিহাস চর্চায় অনন্য। তিনি ১৯৩৯ সালে ২০ শে নভেম্বর কলকাতাশ মৃত্যু বরণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..