• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
আত্রাইয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সমন্বয় সভা ও ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত নড়াইলে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিহত ২ জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে রায়পুরায় খাল খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের শিগগিরই উদ্বোধন হবে-ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি সুন্দরবনে জোংড়া খাল এলাকায় বন বিভাগের অভিযান ৪টি নৌকা ও শুটকি তৈরির সরঞ্জাম জব্দ নাসিমা হত্যাকান্ডে গ্রেফতার তান্ত্রিক শামসুল হক

‎টানা অতিবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বাঘাইছড়ির বোরো চাষ—ক্ষতির মুখে শত শত কৃষক

‎মোঃ আসিফ ইসলাম সাইফ ‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি: / ১০ দেখেছেন
আপলোড : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

‎টানা অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় কৃষকদের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মাঠজুড়ে এখন একটাই দৃশ্য—বোরো ধান বাঁচাতে কৃষকদের নিরন্তর সংগ্রাম। প্রকৃতির বিরূপ আচরণে যেন থমকে গেছে তাদের স্বপ্ন; ভেসে যাচ্ছে সারা বছরের কঠোর পরিশ্রম।

‎অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি পানির প্রবল ঢলের প্রভাবে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার বোরো ধানক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে শত শত কৃষক চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক জমিতে পাকা ও আধাপাকা ধান ডুবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আবার কোথাও স্রোতের পানিতে ধান ভেসে গেছে।

‎স্থানীয় কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে তারা বিপুল অর্থ ব্যয় করে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জমিতে পানি জমে যাওয়ায় তাদের সব পরিশ্রম এখন হুমকির মুখে।

‎কৃষক নূর মোহাম্মদ বলেন, “অনেক আশা নিয়ে ধান লাগাইছিলাম। ঋণ করে সার, বীজ, সেচের খরচ দিছি। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেল।”

‎স্থানীয় আরেক কৃষক জানান, অনেক জমিতে এখনো হাঁটু সমান পানি জমে রয়েছে। দ্রুত পানি না নামলে অবশিষ্ট ধানও পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
‎কৃষকদের চোখে এখন হতাশার ছায়া। তারা বলছেন, এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা তাদের পক্ষে একা সম্ভব নয়। দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ পেলে তারা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।

‎উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নুর আলম জানান, চলতি বছরে উপজেলায় মোট ৩,৫২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। ফলন সামগ্রিকভাবে সন্তোষজনক হলেও বর্তমান অনুকূলহীন আবহাওয়ার কারণে কৃষি বিভাগ দ্রুত ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে।
‎তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মাঠে দণ্ডায়মান ফসলি জমির পরিমাণ ১,৬২১ হেক্টর এবং এর মধ্যে প্রায় ১০২ হেক্টর জমির ফসল আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..