• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জুড়ীতে পোষা হাতির মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে রায়পুরায় খাল খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের শিগগিরই উদ্বোধন হবে-ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি সুন্দরবনে জোংড়া খাল এলাকায় বন বিভাগের অভিযান ৪টি নৌকা ও শুটকি তৈরির সরঞ্জাম জব্দ নাসিমা হত্যাকান্ডে গ্রেফতার তান্ত্রিক শামসুল হক ‎বরিশালে MEP গ্রুপের বিভাগীয় বিক্রয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোলের ভারতীয় সীমান্তে দুই দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে নারী-শিশুসহ ১২ জনকে পুশ-ইন চেষ্টায় ব্যর্থ-বিএসএফ। সতর্ক অবস্থানে (বিজিবি) চাঁদা না পেয়ে ঘের লুট ও ভাংচুর করলেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা

কুমিল্লায় আট মাসেও উদ্ঘাটন হয়নি মিলন আক্তার হত্যা রহস্য, সিসিটিভি ফুটেজ লোপাটের অভিযোগ

মহিউদ্দিন বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: / ২৬ দেখেছেন
আপলোড : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কোরপাই গ্রামের বাসিন্দা মিলন আক্তার (৫৬) হত্যাকাণ্ডের আট মাস পার হলেও এখনো রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ লোপাট ও ৪৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার।

 

সোমবার (১ জুন) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ করেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহতের মেজো মেয়ে ও মামলার বাদী তানজিনা আক্তার, তার স্বামী ডা. সাইফুল ইসলাম, বড় মেয়ে ইসরাত জাহান তানিয়া, তার স্বামী এনামুল হাসান তারেক এবং নিহতের মা নূরজাহান বেগম।

 

তারা জানান, ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর রাতে কুমিল্লা মহানগরীর রেসকোর্স এলাকার একটি ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে মিলন আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরদিন ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ১৮ অক্টোবর নিহতের মেজো মেয়ে তানজিনা আক্তার অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শরীফ ইবনে আলম ও উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ হোসেন আট মাসেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেননি। বরং হত্যাকাণ্ডের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ হারিয়ে ফেলেছেন বলেও দাবি করেন স্বজনরা।

 

এছাড়া তদন্তের অগ্রগতির আশ্বাস দিয়ে প্রথমে ২৫ হাজার টাকা এবং পরে তদন্ত কর্মকর্তার বিকাশ নম্বরে আরও ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

 

নিহতের পরিবারের দাবি, সুষ্ঠু তদন্তের অভাবে প্রকৃত অপরাধীরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়েছে। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

অভিযোগের বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শরীফ ইবনে আলম বলেন, হত্যা মামলাটি নিয়ে আমরা একাধিকবার তদন্ত করেছি এবং একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। তবে তার কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

ঘুষ গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, বাদীপক্ষের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। তারা স্বেচ্ছায় টাকা দিয়েছে। এছাড়া সিসিটিভির ফুটেজ আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

 

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালেক বলেন, ঘুষ গ্রহণ ও তথ্য লোপাটের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..