• বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
সবাইকে সুন্দরবনের গুরুত্ব বুঝতে হবে মোংলায় আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইনের আয়োজনে বক্তারা দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায় হেফজ বিভাগের কোরআন শরীফ পাঠদান কার্যক্রমের শুভ সূচনা মোহনগঞ্জে বিএডিসির বীজে নষ্ট কয়েক হাজার কাঠা জমির বোরো ফসল কৃষক দিশেহারা বেনাপোল বন্দরে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিক শাহাজানের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। ৬ বছর পর আনোয়ারায় ফিরছে ১৩০ বছরের বৈশাখী মেলা ও বলী খেলা ডায়ালাইসিস এর কষ্ট সহ্য হয়না, রাজবাড়ীর ভ্যানচালক শরিফুল বাঁচতে চায় নড়াইলের লোহাগড়ায় দাফনের ৭ মাস পর পার্ক ব্যবস্থাপকের মরদেহ উত্তোলন ও ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত কিশোরগঞ্জে ফিসারি দখলের পাঁয়তারা, অপপ্রচারের অভিযোগ

মোহনগঞ্জে বিএডিসির বীজে নষ্ট কয়েক হাজার কাঠা জমির বোরো ফসল কৃষক দিশেহারা

মোহনগঞ্জ নেত্রকোনা প্রতিনিধি / ১১ দেখেছেন
আপলোড : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

জেলার সবচেয়ে বড় ধানী ফসলের হাওর মোহনগঞ্জের ডিঙ্গাপোতায় এবার অবিশুদ্ধ বীজের কারনে নষ্ট হয়ে গেছে কয়েক হাজার কাঠা জমির বোরো ধানের চাষ।এতে কৃষক দিশেহারা হয়ে ঘুরছে। বিএডিসি থেকে সংগ্রহ করে যে বীজ রোপন করা হয়েছে তা এখন তিনস্তরে ধানের ছড়া বের হচ্ছে। কোনটি ১৫ দিন আগে আবার কোনটা ১৫ দিন পরে বের হচ্ছে। একেক সময় একেকটা ধান কাটার সময় হবে। একই জমিতে একসাথে রোপন করা ধানে তিন স্তরে কাঁচা পাঁকা অধা পাঁকা যা ফসলের তিন ভাগে এক ভাগ ধান ঘরে উঠবে। বাকী ধান নষ্ট হয়ে যাবে। এতে চাষের খরচও উঠবেনা। ফসলের এ অবস্থায় দিশেহারা হয়ে দিক বিধিক ঘুরছে কৃষক।

অবিশুদ্ধ বীজের কারনে এমনটা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। বুধবার একাধিক কৃষক লিখত অভিযোগ জমা দিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তার বরাবর।

উপজেলার গউরাকান্দা গ্রামের কৃষক সুলতান আহমদ অভিযোগ করে বলেন, তিনি ১৩.১১.২৫ তারিখে নেত্রকোনা জেলা বিএডিসি বীজ বিক্রয় কেন্দ্র থেকে ব্রিধান -৮৮ এর ৪০ কেজি বীজ সংগ্রহ করেন। পরে তা দিয়ে রোপন করা জমি এখন নষ্ট হয়ে গেছে। তার ১৬০ কাটা জমিতে কিছু ধান পেকে গেছে, কিছু ধান ছড়া বের হচ্ছে, আবার কিছু ধান ছড়া বের হবে। এ অবস্থায় ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। গওরা কান্দা গ্রামের কৃষক মাসুদ মিয়া, আকিদুল ইসলাম, হান্নান মিয়া,কয়েশ মিয়া,এনামূল হক,মুনসুর মিয়া,সেলিম মিয়া,পেরির চর গ্রামের হাবিবুল্লাহ,পাবই গ্রামের জুবায়ের হোসেন একই অভিযোগ জমা দেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে।তাদের দাবী বিএডিসি ভিত্তি নামে মোহনগঞ্জ তৃনা বীজের দোকান সহ বিভিন্ন দোকান থেকে বীজ সংগ্রহ করেন। এখন তাদের হাজার হাজার কাটা জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমান কৃষকদের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কৃষি কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ।
যারা নখল বীজ দিয়ে কৃষকদের জমি নষ্ট করেছে তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্মকর্তা আব্দুর শাকুর সাদী জানান, তিনি একাধিক অভিযোগ পেয়েছেন। এসব বীজের বিশুদ্ধতায় নেই। এসব বীজ
মিশ্রণ করা, যার ফলে একেকবারে একেক ধান বের হচ্ছে। এতে কৃষক সুফসল পাবেনা। এবার উপজেলায় ১৬ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ জমিতে ব্রি- ধান ৮৮ রোপন করা হয়েছে। ধানের ফসলে এমনটা হলে শত শত কৃষক ক্ষতি গ্রস্ত হব। তিনি আরও বলেন,
বিএডিসির নাম ব্যবহার করে কোনো অসাধু চক্র এ কাজ করছে কি না তা খতিয়ে দেখতে জেলা বিএডিসি অধিদপ্তরে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..