• বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
শার্শায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে বেনাপোলে, ৩-দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন মোংলায় র‌্যাবের অভিযান জ্বালানী ও ভোজ্য তেল মজুদের দায়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ‎রুপাতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পিং-এর শুভ উদ্বোধন আধুনিকতা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে জনগণের সেবায় নিয়োজিত হওয়ার আহ্বান আইজিপির আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল করতে বেনাপোলের ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে বন্দরের চেয়ারম্যানের বৈঠক নেত্রকোণায় বাড়ছে হামের সংক্রমণ, নতুন ১৬ শিশুসহ মোট আক্রান্ত ১৫১, ভর্তি ৫৯ শিশু নবীনগরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, প্রতিবাদে মানববন্ধন

বিচার বিভাগকে নির্বাহী চাপমুক্ত রাখতে হবে: অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন

Reporter Name / ৩ দেখেছেন
আপলোড : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬


বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবী সংগঠন ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স অ্যালায়েন্স (এনএলএ)। ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে অধস্তন আদালতের ২৮ বিচারককে শোকজ নোটিশ প্রদানসহ কয়েকটি সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে সংগঠনটি।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনএলএর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন এ প্রতিবাদ জানান।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নির্বাহী আদেশে শোকজ জারি করা বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বিধিমালা, ২০১৭-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি। এ ধরনের পদক্ষেপ বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী বিভাগের চাপ সৃষ্টি ও ভয় দেখানোর কৌশল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন অবিলম্বে বিচারকদের দেওয়া শোকজ নোটিশ প্রত্যাহার এবং বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানান। একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের আলোকে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, সরকার কর্তৃক জনগুরুত্বপূর্ণ তিনটি অধ্যাদেশ বাতিলের প্রাথমিক সিদ্ধান্তে এনএলএ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। বিশেষ করে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিল হলে বিচার বিভাগ পুনরায় নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা মাজদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গুম প্রতিরোধসংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী সনদে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার লঙ্ঘনের শামিল হবে। এতে গুমের শিকার পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারে এবং অপরাধীদের দায়মুক্তির সুযোগ তৈরি হবে।

এছাড়া মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হলে সংস্থাটি আবারও কার্যকারিতা হারাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনএলএর সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট খন্দকার এরশাদুল বারী, মুখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাহাবুল বাশার, কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান ও অ্যাডভোকেট আশরাফী সানজিদাসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..