বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে আজ এক স্মরণীয় দিন—ঐতিহাসিক ৩৬ জুলাই। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে ধারণ করে এ দিনটি প্রতীকীভাবে “৩৬ জুলাই” নামে পরিচিতি পেয়েছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ছাত্রদের আন্দোলন পরবর্তীতে দেশব্যাপী গণআন্দোলনে রূপ নেয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারান এবং অসংখ্য মানুষ আহত হন।
আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ, আহতদের ত্যাগ ও গণমানুষের অংশগ্রহণকে স্মরণ করে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন আজ নানা কর্মসূচি পালন করছে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া, আলোচনা সভা, স্মরণসভা, র্যালি এবং বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
অনেকের কাছে “৩৬ জুলাই” শুধু একটি প্রতীকী তারিখ নয়; এটি অন্যায়, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ এবং গণআকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এ দিনের মূল বার্তা হলো—শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
আজকের এই দিনে দেশবাসী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদকে এবং আহতদের প্রতি জানাচ্ছে সম্মান ও সহমর্মিতা।