রূপসা উপজেলা সদরে অবস্থিত কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরিক্ষার্থীগন ২০০৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে নিকটবর্তী নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়ে আসছে। এই বিদ্যালয়টি কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। এখানে পরিক্ষার্থীদের পরিক্ষার হলে পৌছাতে সময় লাগতো যে কোন যানবাহনে মাত্র ৫ থেকে ৬ মিনিট। যায়ায়াতের সু ব্যাবস্থা থাকায় শিক্ষার্থীগন বাড়ী থোকে যাতায়েত করতো কোন দুর্ভোগ ছাড়াই । শিক্ষার্থীদের শুধু মাত্র পরিক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে লেখাপড়া পড়া করে পরিক্ষার হলে গেলেই চলতো। বর্তমান বোর্ডের স্বীধান্ত মোতাবেক নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরিক্ষার কেন্দ্র বাতিল করে শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরিক্ষার কেন্দ্র করা হয়েছে। এই স্বীধান্তের কারনে ২০২৬ সালে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হবে শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। এই কেন্দ্রটি বিদ্যালয় থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দুরে প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত। রাস্তাঘাট ভালো না থাকার কারনে যাতায়েতের নেই কোন ভালো ব্যাবস্থা। ঐ অঞ্চলে যেতে হলে জনসাধারন কে যানবাহনের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় । কেন্দ্রটি গ্রাম অঞ্চল হওয়ায় বাসাভাড়া নিয়ে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেবে এরও নেই কোন সুব্যাবস্থা। এ কারনেই পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন পরীক্ষারর্থীদের জন্য বিপদজন মনে করছে অভিবাবকগন। এখানে পরীক্ষার্থীদের উপজেলা সদর থেকে যেতে যে সময় লাগবে সেই সময়ে পাশের জেলা বাগেরহাট অথবা নিজ জেলা খুলনা শহরে অনেক আগেই প্রবেশ করা যায়।
গত ৪ মার্চ বিদ্যালয়ের প্রভাষক বাসির আহম্মেদ লালু অভিবাবকগন এর পক্ষে পরীক্ষার্থীদের অভিবাবকদের সাক্ষরে কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রটি নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনঃ বহাল রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপসা খুলনার মাধ্যমে, মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর এর চেয়ারম্যান এর বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন। যাতে উল্লেখ করা হয় নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কে পরিক্ষার পুনঃ ভেনু কেন্দ্র হিসাবে বহাল থাকলে নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোন আপত্তি নেই। সাথে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রত্যায়ন পত্র সংযুক্তি করেছেন।
এ ব্যাপারে ছেলে মেয়েদের কষ্টের কথা ও দুশ্চিতার কথা বিবেচনা করে নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কে পরিক্ষার ভেনু কেন্দ্র হিসাবে পুনঃ বহাল রাখার জোর দাবী জানিয়েছেন অভিভাবকগন।