জামিরতা ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. আল মামুন জুয়েল সম্পূর্ন কলেজ পরিদর্শন করলে তিনি দেখেন যেখানে সর্বমোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০০ জন, সেখানে উপস্থিত হয়েছে মাত্র ৭০ জন, বাকি ছাত্রছাত্রী কোথায় সেটা নিয়ে মোটাদাগে প্রিন্সিপাল স্যারের সাথে আলোচনা করেন। অনুপস্থিত শিক্ষার্থী কোন বা কি কারনে আসছে না এগুলো নিয়ে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে আলাপ আলোচনা করা প্রয়োজন।
উপস্থিত সময়ে সময় সচেতনতা নিয়ে আল মামুন জুয়েল বলেন, যেখানে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অফিস উপস্থিত হন ৮:৩০ মিনিটে সেখানে সরকারী চাকরিজীবিরা উপস্থিত হন সকাল ১০টার দিকে। গতকাল তিনি জামিরতা ডিগ্রি কলেজে ৮:৩০ মিনিটে উপস্থিত হয়ে এ বার্তা দেন। তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে জামিরতা ডিগ্রি কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং শিক্ষকমন্ডলী সকাল কয়টায় কলেজে উপস্থিত হন, এ বিষয়ে তদারকি করেন। পরে দেখা যায় ৫৪ জন শিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যে মাত্র ২৮ জন, ৯:৩০ মিনিটে কলেজে উপস্থিত হয়েছে, ৩ জন ছুটিতে আছেন বাকি ১৯ জন সবাই ১০টার পরে কলেজে প্রবেশ করেছে।
তাৎক্ষণিকভাবে তিনি মিটিং এর আহবান করে বাকি ২৮ জন কে কারণ দর্ষানোর নোটিশ দেয়া হয়। প্রশ্ন করা হয় কেন তারা সকাল ১০ টার পরে কলেজে আসলেন? তিনি কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, সকাল ৯:৩০ মিনিটের মধ্যে কলেজে প্রবেশ করতে হবে এবং বিকাল ৩ টার পরে কলেজ ত্যাগ করতে হবে। এছাড়াও কলেজে ছাত্রছাত্রী উপস্থিতর ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। প্রিন্সিপাল মহোদয় কে এবং সামনে এইচএসসি পরিক্ষার জন্য স্পেশাল ক্লাস নেওয়ার জন্য প্রতিটা পরীক্ষার্থীকে উপস্থিতি নিশ্চিত করার ব্যাপারে তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলা হয়েছে।
কলেজের সার্বিক আলোচনায় তিনি জানান, কলেজ প্রাঙ্গণের মাঠ এবং পুকুর ভরাট করার জন্য দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রণালয়ে একটি অ্যাপ্লিকেশন করা হয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গনে সায়েন্স বিল্ডিং এর জন্য শিক্ষা ও প্রকৌশলী দপ্তরে অ্যাপ্লিকেশন করা হয়েছে ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের মানসম্মত খেলাধুলা এবং শরীরের চর্চার জন্য খেলাধুলা সামগ্রী জন্য ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অ্যাপ্লিকেশন করা হয়েছে। শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির মা মাটি মানুষের নেতা বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ এম এ মুহিত ভাই এ বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি শিক্ষক কর্মচারীদের আশ্বস্ত করেন যে, ঐতিহ্যবাহী কলেজটা জাতীয়করণ করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চলছে।
পরিশেষে তিনি নিজ ও মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মহোদয় প্রফেসর ডক্টর এম এ মুহিত ভাইসহ সকল নেতাকর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যেন শাহজাদপুর মানুষ ও পরিবেশ শিক্ষা নগরী হয় সেদিকে সর্বোচ্চ কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কথা শেষ করেন।