• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
বিশ্বনাথে ৩ সাংবাদিক সংগঠনের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত। বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক বরিশালে গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের উদ্যাগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি রোগী বাছাই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত জবিতে প্রথমবারের মতো ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’; প্রস্তুতি পরিদর্শন জবি উপাচার্যের বিচারহীনতার আবর্ত ও ‘সাপ-লুডু’ খেলা: কার দায়, কোন পথে মুক্তি? জুড়ীতে সৈয়দ সিরাজ আলেয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্কুল ব্যাগ বিতরণ, বৃক্ষরোপণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে নারীকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির তৎপরতায় ভেস্তে গেল পরিকল্পনা কয়রায় জামায়াত কর্মীকে ‘এমপির এপিএস’ বলে অপপ্রচার, ভিত্তিহীন তথ্য এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ

নওগাঁর রাণীনগরে তাল শাষের কদর বেরেছে

মোঃ ফিরোজ আহমেদ, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ / ২৫ দেখেছেন
আপলোড : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

নওগাঁর রাণীনগরে তাল শাষের কদর বেরেছে৷ জৈষ্ঠ্যমাস মধুর মাস এ মধুময় মাসে বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু ফল পাওয়া যায়।

বিশেষ করে এ এলাকায় আম,লিচু,কাঁঠালের পাশাপাশি তালের শ্বাস তালকুর নামের ফলটিরও চাহিদা ও কদর বেড়েছে।
হাটবাজারের খোলা স্থানে বিক্রি হচ্ছে এ সুস্বাদু ফলটি, ক্রেতাদেরকে লাইন ধরে কিনতেও দেখা গিয়েছে।

সারাদেশে তালের শ্বাস নামে পরিচিত হলেও এই এলাকায় তালের চোখ বা তালকুর নামে পরিচিত।
শিশু থেকে সববয়সী মানুষের প্রিয় খাবার এ ফলটি।

সোমবার ৮জুন ২০২৬ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তা ধারে বসে তালের শ্বাস বিক্রি করছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
দাঁড়িয়ে থেকে কিনতেছেন সব শ্রেণির মানুষ।তালের ছড়ি কাইন থেকে হাঁসুয়া বা ছুড়ি বা দা দিয়ে তাল কেটে শ্বাস বা চোখ বের করছেন। ক্রেতারা মনের আনন্দে ফলটি কিনে খাইতেছে৷ তালের শ্বাসের চোখের পানি অনেকটা পুষ্টি সমৃদ্ধ বলে অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন।

তালের শ্বাস কিনতে আসা শহিদুল আলম জানান, ভাল লাগে এ ফলটি। পরিবারের সবাই পছন্দ করে। প্রতিদিন বাড়ি যাওয়ার সময় কিনে নিয়ে যায়।তবে এ বছর দাম অনেক বেশি।নিম্ন আয়ের লোকজনের কিনতে সমস্যা হচ্ছে। তিনি ৬০ টাকাতে ২১পিচ তালের শ্বাস কিনেছেন।
একজন ক্রেতা বলেন,তার মেয়ে এলাকায় অন্য একজনকে খেতে দেখে এখন জেদ ধরেছে।তাই ঘোষগ্রাম বাজারে তালের শ্বাস কিনতে এসেছি।এসে দেখছি অনেকে সিরিয়াল অনুযায়ী নিচ্ছে।

ঘোষগ্রাম বাজারের বিক্রেতা মো. মনেক বলেন, প্রতিবছর তিনি এ পেশায় জড়িত রয়েছেন। পাড়া-মহল্লা,গ্রামে ঘুরে তাল কিনতে হয় তাঁকে। একেকটি গাছে তালের সংখ্যা দেখে কিনতে হয়। পাঁচশত টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়ে কিনতে হয়। তবে গাছের সংখ্যা অনেক কমে গেছে।তালগাছে উঠতে অনেকটা কষ্টদায়ক তেমনি দড়িতে বেঁধে নামাতে অনেক অসুবিধায় পড়তে হয়। ভ্যানে ভাড়া দিয়ে আবার বাজারে নিয়ে আসতে হয়। তারপরের প্রতিদিন তিনি চারশ টাকা থেকে ছয়শটাকা পর্যন্ত আয় হয়ে থাকে তাহার৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..