• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
মা‌টিরাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা পেল ১০৪ প‌রিবার ঝালকাঠিতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রবাসীর উপর হামলা স্বামী-স্ত্রী আহত; স্ত্রীকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে রায়পুরে জনবান্ধব নেতৃত্বের পরিচয়, ভাঙা সড়ক মেরামতে রাশেদের উদ্যোগ ২নং ঘাসিগ্রাম ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন জাফর ইকবাল সরকারি কর্মঘণ্টা উপেক্ষার অভিযোগ: দুপুরের আগে অফিসে মিলেনি রাজাপুরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী পানছড়ির দুর্গম পাহাড়ে বিজিবির মানবিক সেবা: ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প ও নলকূপ স্থাপন নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর অভিযানে চুরি হওয়া বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার পূর্বধলা উপজেলার গোহালাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আক্তার জাহান

নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর অভিযানে চুরি হওয়া বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

শহিদুল ইসলাম, প্রতিবেদক: / ৪ দেখেছেন
আপলোড : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

রাঙ্গামাটি জেলায় নানিয়ারচর সেনা জোনের তাৎক্ষণিক ও কার্যকর অভিযানে চুরি হওয়া প্রায় ১৩ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, গত রাতে নানিয়ারচর উপজেলার রাবার বাগান এলাকা থেকে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার সেগুন কাঠ (গোলকাঠ) চুরির ঘটনা ঘটে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে নানিয়ারচর জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ মশিউর রহমান, পিএসসি এর নির্দেশনায় সিনিঃ ওয়াঃ অফিঃ শহিদুল্লাহ এর নেতৃত্বে একটি টহল দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।

 

নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য ও স্থানীয় সূত্রের ভিত্তিতে আরও জানা যায় যে, চুরি হওয়া কাঠগুলো রামহরিপাড়া ও তক্ষশীলা এলাকার সড়ক ব্যবহার করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নানিয়ারচর জোনের টহল দল সম্ভাব্য স্থানে অভিযান ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। অভিযানকালে উপজেলার কৃষ্ণমাছড়া পুকুর এলাকায় একটি গোপন স্থানে রাখা বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ (গোলকাঠ) উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা। পরবর্তীতে, কাঠের মালিক মোঃ সোহেল মিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধারকৃত কাঠসমূহ শনাক্ত করেন। নানিয়ারচর জোন কর্তৃক উদ্ধারকৃত কাঠ নিরাপদে স্থানান্তর ও মালিকের নিকট হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

 

সেনাবাহিনীর এ দ্রুত, পেশাদার ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে বিপুল পরিমাণ সম্পদ উদ্ধার সম্ভব হয়েছে, যা স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎপরতা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..