• বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
গজারিয়া চিহ্নিত তেল চোরাকারবারি মাসুম গংয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন। শার্শায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে বেনাপোলে, ৩-দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন মোংলায় র‌্যাবের অভিযান জ্বালানী ও ভোজ্য তেল মজুদের দায়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ‎রুপাতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পিং-এর শুভ উদ্বোধন আধুনিকতা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে জনগণের সেবায় নিয়োজিত হওয়ার আহ্বান আইজিপির আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল করতে বেনাপোলের ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে বন্দরের চেয়ারম্যানের বৈঠক নেত্রকোণায় বাড়ছে হামের সংক্রমণ, নতুন ১৬ শিশুসহ মোট আক্রান্ত ১৫১, ভর্তি ৫৯ শিশু

রাবির সাবেক উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি / ৩৭ দেখেছেন
আপলোড : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অন্তর্বর্তী সরকার আমলের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উঠেছে। ছাত্রদলের অভিযোগ, জামায়াতীকরণ করতেই শিবির ক্যাডারদের নিয়োগ দিয়েছে গত প্রশাসন। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব।

এদিকে কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ার তথ্য চেয়ে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, দৈনিক মজুরি ভিত্তিক দুই শতাধিক কর্মচারী নিয়োগ পেয়েছে বলে জেনেছি।

কোন প্রক্রিয়ায় তাদের এই নিয়োগ হয়েছে সেই তথ্য চেয়েছি।
তথ্যগুলো উন্মুক্ত থাকা দরকার। তা ছাড়া ফটোকার্ড ব্যবহার করে কিছু অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমি কিছু কথা ভিসি হওয়ার আগে বলেছিলাম সেগুলো এখন সামনে আনা হচ্ছে।

এগুলো অপতথ্য। জানা গেছে, গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে ১৫৪ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে অ্যাডহক ভিত্তিতে পাঁচজন ডাক্তার ও আইসিটি সেন্টারে দুজন প্রোগ্রামার নিয়োগ পেয়েছেন। দৈনিক ৭৫০ টাকা মজুরি ভিত্তিক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির দুই শতাধিক কর্মচারী নিয়োগ পেয়েছেন।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, বিগত সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও জামায়াতীকরণ করা হয়েছে এবং শিবিরের চিহ্নিত ক্যাডারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে মেধাবীরা বঞ্চিত হয়েছে। ফলে জামায়াত-শিবিরের কিছু ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাই নতুন উপাচার্যের কাছে এসব নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন। আমরাও তদন্তের দাবি করছি। অন্যদিকে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নকীব বলেন, শিক্ষক নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি।
এ সময় বিএনপি-জামায়াতসহ অনেকের নানা তদবির ছিল, কিন্তু সেগুলো আমরা পাত্তা দেইনি। যদি কোনো অনিয়ম থাকে তদন্ত সাপেক্ষে বের করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..