• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ, প্রশংসায় ভাসছে দীঘিনালা ছাত্রদল।

মো. হাচান আল মামুন, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি / ১৬ দেখেছেন
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

সারা দেশের মতো খাগড়াছড়ির দীঘিনালাতেও শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা। পরীক্ষার প্রথম দিনেই শত শত পরীক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়ে ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে দীঘিনালা উপজেলা ছাত্রদল। পরীক্ষাকেন্দ্রে আগত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে খাবার স্যালাইন, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়, যা পরীক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে দীঘিনালা সরকারি কলেজ কেন্দ্র প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর উপজেলার দীঘিনালা সরকারি কলেজ, কুজেন্দ্র মল্লিকা কলেজ ও বাবুছড়া কলেজের মোট ১ হাজার ৪৬৪ জন পরীক্ষার্থী এই কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও ২৯৮ নম্বর সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে এবং খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জাহিদের নির্দেশনায় দীঘিনালা সরকারি কলেজ ছাত্রদল এ মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মামুনুর রশীদ, খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সদস্য মো. সোলেমান, মির্জা সোহেল রানা এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

আয়োজকরা জানান, তীব্র গরম ও দীর্ঘ সময়ের পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পরীক্ষার্থীদের শারীরিক স্বস্তি নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের বিশ্বাস, সুস্থ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ পরীক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

দীঘিনালা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মামুনুর রশীদ বলেন, “পরীক্ষার্থীরা যেন সুস্থ, স্বস্তিতে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষা দিতে পারে, সেই চিন্তা থেকেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সদস্য মো. সোলেমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। সকল পরীক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করছি।”

পরীক্ষার্থীদের অনেকেই জানান, পরীক্ষা শুরুর আগে খাবার স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানি পেয়ে তারা স্বস্তি অনুভব করেছেন। তাদের মতে, এমন উদ্যোগ শুধু প্রয়োজনীয় সহায়তাই নয়, শিক্ষার্থীদের প্রতি সমাজের দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধেরও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। স্থানীয় সচেতন মহলও এ উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি আরও বিস্তৃত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..