• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন

দামুড়হুদার নাটুদায় যথাযোগ্য মর্যাদায় স্থানীয় শহীদ দিবস পা‌লিত

মোঃ মিনারুল ইসলাম, চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধিঃ- / ৫২ দেখেছেন
আপলোড : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় শহীদ দিবস (৫ই আগস্ট) যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের এই দি‌নে (‌৫ই আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে চুুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদায় পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সমুখ সমরে আবুল কাশেম, হাসানুজ্জামান, রবিউল ইসলাম, তারেক, আফাজ উদ্দিন, কেয়ামদ্দিন, রওশন ও খােকন নামে চুয়াডাঙ্গার ৮ জন বীর মুক্তিযােদ্ধা শহীদ হন।

দিবসটি উপলক্ষে আজ বুধবার নাটুদ‌হে ৮ শহীদের সমাধি (আটকবর) চত্বরে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা বিএনপি, উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা বিএনপি, মুক্তিযােদ্ধা সংসদ কর্মসূচি পালন করে।

সকাল ৮ টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পতাকা উত্তোলনের পর জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, জেলা পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, বাংলাদেশ মুক্তিযােদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট আহ্বায়ক আবেছ উদ্দিন, যুগ্ন আহ্বায়ক ও দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি খাঁজা আবুল হাসনাত, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাভলী ইয়াসমিন, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, দামুড়হুদা উপজেলা মুক্তিযােদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব লুৎফর রহমান ও শহীদ মুক্তিযােদ্ধা পরিবারের সদস্যরা শহীদ সমাধিতে পর্যায়ক্রমে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, শহীদ বীর মুক্তিযােদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ট সন্তান। রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেয়ে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন – সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে পরিচিত লাভ করেছে।

তিনি আরও বলেন, নিজের জীবনের মায়া না করে মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রেখে মুক্তিযােদ্ধারা আমাদেরকে একটি দেশ ও একটি লাল – সবুজ পতাকা উপহার দিয়েছেন। এ জন্য জাতির বীর সন্তান মুক্তিযােদ্ধাদের সঠিক মর্যাদায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে এবং তাঁদের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিতে আমাদের সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিহাসের এই দিনটি চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসির জন্য মর্মান্তিক ও অন্যতম স্মরণীয়।

প্রতি বছর যথাযথ মর্যাদায় দিবস‌টি পালন করা হয়। এরপর শহীদদের আত্নার মাগফিরাত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..