দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে নিখোঁজের চার দিন পর মোঃ মফিদুল ইসলাম (৪০) নামে এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যা মামলায় মোঃ মাসুদ মিয়া (২৯) নামে তার এক প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর মফিদুল নিখোঁজ হন। পরদিন পরিবারের পক্ষ থেকে নবাবগঞ্জ থানায় জিডি করা হয়। ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মাসুদ মিয়ার বাড়ির পূর্ব পাশে একটি পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা স্লাব সরিয়ে মফিদুলের মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মোঃ লিটন মিয়া বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে মাসুদ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ জানিয়েছেন, ৪ সেপ্টেম্বর রাতে মফিদুলের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত এবং পরে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহটি গোপন করতে টয়লেটের ট্যাংকিতে রাখা হয়।
আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বাঁশের লাঠি ও নিহতের স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, কথোপকথনের সময় আসামির স্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় মাসুদ ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
গ্রেফতারকৃত মাসুদ মিয়া আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করছে পুলিশ।