• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :

দীঘিনালায় শিশু অপুষ্টি শনাক্তকরণ ও মাতৃস্বাস্থ্য-পুষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

পপেন ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি: / ৮ দেখেছেন
আপলোড : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার ও সেবার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিশু অপুষ্টি শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনা এবং মাতৃস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের হলরুমে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। “Access to and Utilisation of Life Saving Services by Marginalised Communities in Chittagong Hill Tracts in Bangladesh Project” প্রকল্পের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের তীব্র অপুষ্টি শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণে কমিউনিটি সাপোর্ট অ্যান্ড এনগেজমেন্ট কমিটি (CSECP), স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার কল্যাণ সহকারীরা অংশগ্রহণ করছেন। দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণটি ১৪ ও ১৬ সেপ্টেম্বর দুই ব্যাচে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে প্রশিক্ষণটি বাস্তবায়ন করছে জাবারাং কল্যাণ সমিতি এবং আর্থিক সহযোগিতা করছে হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল (HKI)।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সাজেদুল ইসলাম আরমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির উপজেলা কোঅর্ডিনেটর ডেভিড ত্রিপুরা।
প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জুনুমনি চাকমা (HI) ও মো. কামরুজ্জামান (FPI)। সহকারী হিসেবে রয়েছেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর সরশীষ দেওয়ান ও ভূবন ময় চাকমা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ডা. সাজেদুল ইসলাম আরমান বলেন, অপুষ্টির কারণে প্রতিবছর অনেক শিশু নানা স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ে এবং মৃত্যুবরণ করে। সময়মতো অপুষ্টি শনাক্ত করে যথাযথ ব্যবস্থাপনা করা গেলে শিশুমৃত্যু উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের MUAC, ইডিমা শনাক্তকরণ ও Z-Score ব্যবহারের মাধ্যমে শিশুদের অপুষ্টি নির্ণয়ের পদ্ধতি ও কৌশল ভালোভাবে আয়ত্ত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রশিক্ষকদের আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে প্রশিক্ষণ পরিচালনার অনুরোধ করেন।
প্রশিক্ষণে শিশুদের তীব্র অপুষ্টি শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনা, অপুষ্টির মাত্রা নির্ণয় এবং মাতৃস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদান করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে শিশু ও মায়েদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবা আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে এ প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..