• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :
বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের সহায়তায় ১৮ সদস্যের প্রত্যাবাসন, দেওয়া হলো নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী রাস্তা পারাপারের সময় পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার, চালক আটক গায়ের রঙ নয়, যোগ্যতাই মানুষের আসল পরিচয়—ফেসবুকে আলোচনায় এক তরুণী সাংবাদিক দিনাজপুরে বিজিবির পৃথক অভিযানে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার বুড়িচং পৌরসভাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করা হবে: মেয়ার প্রার্থী কামাল হোসেন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ এ-র গুলীতে নিহত ১ জন,আহত ২ জন। সনাতন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, জবি শিক্ষার্থী মুহাম্মদ জুবায়েদের বিরুদ্ধে বুড়িচং প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার ২১৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার

জামাল উদ্দীন, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি / ৯ দেখেছেন
আপলোড : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫০ হাজার ২১৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক সিজার মূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ ৬৫ হাজার ৪০০ টাকা।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ জারুলিয়াছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত পিলার ৪৭/৩-এস সংলগ্ন এলাকা দিয়ে কয়েকজন চোরাকারবারী মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ফুলাঝিড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা তাদের বহন করা ইয়াবাভর্তি কার্টন ফেলে জঙ্গলের ভেতর পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি কার্টনে রাখা মোট ৫০ হাজার ২১৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মধ্যে খয়েরি রঙের ৪৯ হাজার ৭২০ পিস এবং সবুজ রঙের ৪৯৮ পিস ছিল। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার রোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..