• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :
বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের সহায়তায় ১৮ সদস্যের প্রত্যাবাসন, দেওয়া হলো নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী রাস্তা পারাপারের সময় পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার, চালক আটক গায়ের রঙ নয়, যোগ্যতাই মানুষের আসল পরিচয়—ফেসবুকে আলোচনায় এক তরুণী সাংবাদিক দিনাজপুরে বিজিবির পৃথক অভিযানে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার বুড়িচং পৌরসভাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করা হবে: মেয়ার প্রার্থী কামাল হোসেন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ এ-র গুলীতে নিহত ১ জন,আহত ২ জন। সনাতন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, জবি শিক্ষার্থী মুহাম্মদ জুবায়েদের বিরুদ্ধে বুড়িচং প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

৬ মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩ দানবাক্সে মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

ইমরান হোসেন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : / ১৩ দেখেছেন
আপলোড : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স প্রায় ছয় মাস পর খুলে পাওয়া গেছে ৪৩ বস্তা টাকা। শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। পরে বস্তাভর্তি টাকাগুলো মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গণনার কাজ শুরু করা হয়।

টাকা গণনার কাজে অংশ নেন জামিয়া ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ৩০০ জন ছাত্র, পাগলা মসজিদ মাদ্রাসার ১০৬ জন ছাত্র, রূপালী ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মকর্তা, পাগলা মসজিদের ৩৫ জন স্টাফ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ১৯ জন কর্মচারী, জেলা প্রশাসনের ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৪০ জন পুলিশ সদস্য, ৮ জন র‍্যাব সদস্য এবং ২০ জন আনসার সদস্য।

দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্স খুলে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। সেই সময় নগদ অর্থের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও হীরাও পাওয়া গিয়েছিল।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের পরিচালন ব্যয় নির্বাহের পর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। বর্তমানে সরাসরি দানের ১১৪ কোটি টাকা এবং অনলাইনে প্রাপ্ত ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত আছে।

তিনি আরও জানান, দানের অর্থ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান প্রদান, অসহায় মানুষ এবং জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দানবাক্সে পাওয়া অর্থ গণনার কাজ চলমান আছে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..