• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :
বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের সহায়তায় ১৮ সদস্যের প্রত্যাবাসন, দেওয়া হলো নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী রাস্তা পারাপারের সময় পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার, চালক আটক গায়ের রঙ নয়, যোগ্যতাই মানুষের আসল পরিচয়—ফেসবুকে আলোচনায় এক তরুণী সাংবাদিক দিনাজপুরে বিজিবির পৃথক অভিযানে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার বুড়িচং পৌরসভাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করা হবে: মেয়ার প্রার্থী কামাল হোসেন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ এ-র গুলীতে নিহত ১ জন,আহত ২ জন। সনাতন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, জবি শিক্ষার্থী মুহাম্মদ জুবায়েদের বিরুদ্ধে বুড়িচং প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জ শহরের প্রাণ কেন্দ্র বড় পুলে উড়ছে সারি সারি কালিমার পতাকা

মো ইয়াকুব আলী তালুকদার, স্টাফ রিপোর্টার / ৪৮ দেখেছেন
আপলোড : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপের আমেজে সারা বিশ্ব মাতোয়ারা হওয়ার সাথে সাথে বাংলাদেশেও যখন ব্রাজিল আর্জেন্টিনার ভক্তদের মাঝে শুরু হয় উত্তেজনা ঠিক তখনই মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ বাংলাদেশে জেগে ওঠে কালিমার পতাকা উড়ানো আর শোডাউন এবং কালিমার পতাকা মিছিল।

এর আগে ঢাকার যাত্রাবাড়ী ফ্লাই ওভারের দুই পাশে লাগানো কালিমার পতাকা বাংলাদেশের মুসলমান তৌহিদী জনতার অন্তরে এক স্বস্তির আভাস এনে দিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ কে বা কারা পতাকা গুলো নামিয়ে ফেলে। তারই প্রতিবাদে সেখানে পুনরায় দ্বিগুণ হারে কালিমার পতাকা লাগানো হয়। সেই সাথে সারা দেশ ব্যাপী কালিমার পতাকা লাগানোর ধুম পড়ে যায়। জেগে ওঠে মুসলমানদের অন্তর একমাত্র আল্লাহর প্রতি অশেষ ভালোবাসা। সারা দেশ জুড়ে বিধর্মী ও ইসলাম বিরোধী দেশের পতাকা উড়াতে পারলেও মুসলিম হয়ে কেন কালিমার পতাকা উড়ানো যাবে না এ নিয়ে রয়েছে নানা রকমের আলোচনা ও সমালোচনা।

সারা দেশে যখন কালিমার পতাকা উড়ানোর ধুম পড়ে ঠিক তখনই দেখা যায় সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্র এবং ব্রিটিশ আমলে তৈরী খুটও বিহীন ঐতিহাসিক ইলিয়ট ব্রিজ যা বড় পুল নামে পরিচিত তার দুই পাশে সারি সারি কালিমার পতাকা উড়ানোর দৃশ্য। এই পতাকা উড়ানো থেকে বাদ পড়েনি সিরাজগঞ্জের মুসলিম তৌহিদী জনতা এবং সাধারণ মুসলমান। সিরাজগঞ্জের এই ব্রিজ ছাড়াও সকল ঘর বাড়ীতেও উড়ছে কালিমা খচিত সাদা কোলো পতাকা। এ যেন মুসলমানদের এক প্রশান্তি।

সিরাজগঞ্জের অসংখ্য মুসলমান দাবি করেন এটি একটি ঈমানী চেতনা। ফুটবল ও ক্রিকেট বিশ্ব কাপ আসলে আমরা বিধর্মীদের ভালোবাসায় মত্ত হয়ে তাদের চেতনাকে ধারণ করি। তাদের লেবাস ধারণ করি। ইবাদত বন্দেগি ভুলে গিয়ে তাদের খেলা দেখি। তাদের মতো করে চুল কাটাই, জার্সি পড়ি, পক্ষে কথা বলি এমনকি প্রতিপখ্খের সাথে বিরোধে লিপ্ত হই। একজন মুসলমান হিসেবে কালিমাকে বুকে ধারণ করা উচিত। ইসলামের বিধিবিধান গুলো সঠিকভাবে মেনে চলা উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..