ফুটবল বিশ্বকাপের আমেজে সারা বিশ্ব মাতোয়ারা হওয়ার সাথে সাথে বাংলাদেশেও যখন ব্রাজিল আর্জেন্টিনার ভক্তদের মাঝে শুরু হয় উত্তেজনা ঠিক তখনই মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ বাংলাদেশে জেগে ওঠে কালিমার পতাকা উড়ানো আর শোডাউন এবং কালিমার পতাকা মিছিল।
এর আগে ঢাকার যাত্রাবাড়ী ফ্লাই ওভারের দুই পাশে লাগানো কালিমার পতাকা বাংলাদেশের মুসলমান তৌহিদী জনতার অন্তরে এক স্বস্তির আভাস এনে দিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ কে বা কারা পতাকা গুলো নামিয়ে ফেলে। তারই প্রতিবাদে সেখানে পুনরায় দ্বিগুণ হারে কালিমার পতাকা লাগানো হয়। সেই সাথে সারা দেশ ব্যাপী কালিমার পতাকা লাগানোর ধুম পড়ে যায়। জেগে ওঠে মুসলমানদের অন্তর একমাত্র আল্লাহর প্রতি অশেষ ভালোবাসা। সারা দেশ জুড়ে বিধর্মী ও ইসলাম বিরোধী দেশের পতাকা উড়াতে পারলেও মুসলিম হয়ে কেন কালিমার পতাকা উড়ানো যাবে না এ নিয়ে রয়েছে নানা রকমের আলোচনা ও সমালোচনা।
সারা দেশে যখন কালিমার পতাকা উড়ানোর ধুম পড়ে ঠিক তখনই দেখা যায় সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্র এবং ব্রিটিশ আমলে তৈরী খুটও বিহীন ঐতিহাসিক ইলিয়ট ব্রিজ যা বড় পুল নামে পরিচিত তার দুই পাশে সারি সারি কালিমার পতাকা উড়ানোর দৃশ্য। এই পতাকা উড়ানো থেকে বাদ পড়েনি সিরাজগঞ্জের মুসলিম তৌহিদী জনতা এবং সাধারণ মুসলমান। সিরাজগঞ্জের এই ব্রিজ ছাড়াও সকল ঘর বাড়ীতেও উড়ছে কালিমা খচিত সাদা কোলো পতাকা। এ যেন মুসলমানদের এক প্রশান্তি।
সিরাজগঞ্জের অসংখ্য মুসলমান দাবি করেন এটি একটি ঈমানী চেতনা। ফুটবল ও ক্রিকেট বিশ্ব কাপ আসলে আমরা বিধর্মীদের ভালোবাসায় মত্ত হয়ে তাদের চেতনাকে ধারণ করি। তাদের লেবাস ধারণ করি। ইবাদত বন্দেগি ভুলে গিয়ে তাদের খেলা দেখি। তাদের মতো করে চুল কাটাই, জার্সি পড়ি, পক্ষে কথা বলি এমনকি প্রতিপখ্খের সাথে বিরোধে লিপ্ত হই। একজন মুসলমান হিসেবে কালিমাকে বুকে ধারণ করা উচিত। ইসলামের বিধিবিধান গুলো সঠিকভাবে মেনে চলা উচিত।