• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :
বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের সহায়তায় ১৮ সদস্যের প্রত্যাবাসন, দেওয়া হলো নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী রাস্তা পারাপারের সময় পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার, চালক আটক গায়ের রঙ নয়, যোগ্যতাই মানুষের আসল পরিচয়—ফেসবুকে আলোচনায় এক তরুণী সাংবাদিক দিনাজপুরে বিজিবির পৃথক অভিযানে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার বুড়িচং পৌরসভাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করা হবে: মেয়ার প্রার্থী কামাল হোসেন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ এ-র গুলীতে নিহত ১ জন,আহত ২ জন। সনাতন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, জবি শিক্ষার্থী মুহাম্মদ জুবায়েদের বিরুদ্ধে বুড়িচং প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

কর্ণফুলী চ্যানেলে লাইটার জাহাজ ডুবি: কোস্ট গার্ডের তৎপরতায় ১২ ক্রুই জীবিত উদ্ধার

জামাল উদ্দীন, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি / ১৫ দেখেছেন
আপলোড : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী চ্যানেলে দুটি লাইটার জাহাজের মুখোমুখি সংঘর্ষে একটি জাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সাহসী উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে ১২ জন ক্রুকেই জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার ভোররাত প্রায় ৩টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী নদীর ১৮ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় এমভি বে হারবার-২ নামের একটি লাইটার জাহাজ ঢাকা অভিমুখে যাওয়ার সময় চলমান এমভি সামুদা-৬ নামের অপর একটি লাইটার জাহাজের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে জাহাজটির হাল ফেটে পানি প্রবেশ করলে এটি একপাশে হেলে যায় এবং পরে বহিঃনোঙর বয়া নম্বর ২ ও ৩-এর মধ্যবর্তী স্থানে প্রায় সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের অধীন বিসিজি আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। অভিযানে ডুবে যাওয়া জাহাজে থাকা ১২ জন ক্রুর মধ্যে ৮ জনকে ঘটনাস্থল থেকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়। বাকি ৪ জন প্রবল স্রোতের টানে পারকির চর এলাকায় ভেসে গিয়ে নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন।

উদ্ধার হওয়া ক্রুদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের সংশ্লিষ্ট জাহাজ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকায় জনগণের জানমাল রক্ষায় এবং যেকোনো জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..