• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের সহায়তায় ১৮ সদস্যের প্রত্যাবাসন, দেওয়া হলো নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী রাস্তা পারাপারের সময় পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার, চালক আটক গায়ের রঙ নয়, যোগ্যতাই মানুষের আসল পরিচয়—ফেসবুকে আলোচনায় এক তরুণী সাংবাদিক দিনাজপুরে বিজিবির পৃথক অভিযানে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার বুড়িচং পৌরসভাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করা হবে: মেয়ার প্রার্থী কামাল হোসেন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ এ-র গুলীতে নিহত ১ জন,আহত ২ জন। সনাতন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, জবি শিক্ষার্থী মুহাম্মদ জুবায়েদের বিরুদ্ধে বুড়িচং প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

অতিবৃষ্টিতে দীঘিনালায় পাহাড়ধসের শঙ্কা, আতঙ্কে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা

মোঃ হাচান আল মামুন, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি / ২৫ দেখেছেন
আপলোড : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

টানা মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও অতিবৃষ্টির কারণে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় পাহাড়ধসের আশঙ্কা বেড়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ ঢালে বসবাসকারী পরিবারগুলোর মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে—এমন শঙ্কায় অনেকেই নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

মঙ্গলবার  (৭ জুলাই) উপজেলার পশ্চিম কাঠালতলী ও মধ্য বোয়ালখালী এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাহাড়ের পাদদেশ ঘেঁষে সারিবদ্ধভাবে নির্মিত হয়েছে অসংখ্য বসতঘর। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও মাটিতে ফাটলও দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে সম্ভাব্য পাহাড়ধস নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষা এলেই পাহাড়ধসের আতঙ্ক ফিরে আসে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করলেও আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অনেক পরিবারের পক্ষে অন্যত্র সরে যাওয়া সম্ভব হয় না। তাই প্রতিটি ভারী বৃষ্টির সঙ্গে বাড়তে থাকে তাদের দুশ্চিন্তা।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানজিল পারভেজ বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকাগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ ঢালে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসের প্রতি নজর রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রয়োজন হলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অতীতে পাহাড়ধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। তাই সম্ভাব্য দুর্যোগ এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..