• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন

যবিপ্রবিতে গোসল নিয়ে দ্বন্দ্বে শিক্ষার্থীর কানের পর্দা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

উম্মে হাফসা, ক্যাম্পাস (যবিপ্রবি) প্রতিনিধি: / ১৯ দেখেছেন
আপলোড : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

গোসল করাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির জেরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীর কানের পর্দা ফাটিয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী উভয় শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের। এ ঘটনায় শনিবার (৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও প্রভোস্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

​ভুক্তভোগী জুয়েল আল ইমরান ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এবং শহীদ মশিয়ূর রহমান হলের ৪২৫ নম্বর রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী। অন্যদিকে অভিযুক্ত তানভীর হক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার সময় ইংরেজি বিভাগের রাজিন মাহমুদ খান কাব্য ও অস্কারসহ আরও ৮-১০ জন উপস্থিত ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে হলের ওয়াশরুমে বালতি রাখা নিয়ে জুয়েল ও তানভীরের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে তানভীর তাঁর রুমের সামনে গিয়ে নানাভাবে হুমকি দেন। বিকেলে বিষয়টি মীমাংসার জন্য হলের বাইরে আমতলায় গেলে কথা বলার একপর্যায়ে তানভীর জুয়েলের কানে থাপ্পড় মারেন এবং বুকে লাথি দিয়ে বসার টেবিল থেকে ফেলে দেন।

​এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. দীপক কুমার মণ্ডল জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং রক্ত জমে আছে। তাঁর কানের পর্দা সম্ভবত ছিদ্র হয়ে গেছে। দ্রুত নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে পরীক্ষা করে চিকিৎসা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

​অভিযুক্ত তানভীর হক জানান, কাপড়ভর্তি বালতি বের করে দেওয়া নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে মীমাংসার সময় জুয়েল ও তাঁর বন্ধুরা মারমুখী আচরণ করায় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি জুয়েলকে একটি থাপ্পড় দেন। তবে কানের গুরুতর সমস্যার বিষয়টি তিনি সকালে জানতে পেরেছেন। সহপাঠী রাজিন মাহমুদ খান কাব্য জানান, বিষয়টি ব্যাচমেটদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করার সময় তানভীর জুয়েলকে থাপ্পড় মারেন, যা একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।

​শহীদ মশিয়ূর রহমান হলের প্রভোস্ট ড. মো. মজনুজ্জামান বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রক্টর অফিসে লিখিত আকারে অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে এবং যাচাই সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান জানান, চিফ মেডিকেল অফিসারের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রশাসন শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..