বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে নিজের জীবনের সকল শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও উস্তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় সাইফুল ইসলাম বলেন, একজন মানুষের জীবনে বাবা-মায়ের পর শিক্ষকরাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথপ্রদর্শক। শিক্ষকের শিক্ষা, শাসন, স্নেহ ও পরামর্শ একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সাইফুল ইসলাম চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উপকূলীয় এলাকা পূর্ব গহিরা হাড়িয়া পাড়ার বাসিন্দা। কৃষক পরিবারের সন্তান হিসেবে তাঁর শিক্ষাজীবনের পথচলা শুরু হয় ২০১০ সালে। বর্তমানে তিনি পশ্চিমচাল ইসলামিয়া (এম.এ) কামিল মাদ্রাসায় ফাজিল দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত আছেন।
নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, বাবা-মায়ের পাশাপাশি তাঁর জীবনে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা দিয়েছেন তাঁর শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা তাঁকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জুগিয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষক শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দেন না; একজন আদর্শ শিক্ষক শিক্ষার্থীর নৈতিকতা, মনুষ্যত্ব, আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখেন। শিক্ষকের সঠিক দিকনির্দেশনা একজন শিক্ষার্থীকে ভুল পথ থেকে ফিরিয়ে এনে সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে পারে।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়। শিক্ষার প্রসার, সমাজ গঠন ও মানবসম্পদ উন্নয়নে শিক্ষকদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই এ দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, একটি জাতির ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে শিক্ষার মাধ্যমে। আর সেই শিক্ষার অন্যতম প্রধান কারিগর শিক্ষকরা। তাই শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো সমাজের দায়িত্ব।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বর্তমানে শিক্ষা ও দ্বীনি খেদমতে নিয়োজিত তাঁর সকল শিক্ষক ও উস্তাদের সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করেন সাইফুল ইসলাম। পাশাপাশি ইন্তেকাল করা সকল শিক্ষক ও উস্তাদের জন্য মহান আল্লাহর কাছে জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করেন তিনি।
সবশেষে তিনি বলেন, ‘একজন শিক্ষকের অবদান কোনোদিন শুধু একটি দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাঁদের শিক্ষা ও আদর্শ একজন শিক্ষার্থীর জীবনে আজীবন পথপ্রদর্শক হয়ে থাকে।’