• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন

শিক্ষাঙ্গনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে মাউশির কড়াকড়ি: মনিটরিং কমিটি গঠন

বিশেষ প্রতিনিধি,ঢাকা। / ১৮৮ দেখেছেন
আপলোড : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

​মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষা পরিবারের সদস্য, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে সরকারি আচরণবিধি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা সঠিকভাবে পরিপালন করা হচ্ছে কি না, তা তদারকির জন্য একটি বিশেষ ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ গঠন করেছে অধিদপ্তর।

​১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভাল্যুয়েশন উইংয়ের পরিচালক ও মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর টিপু সুলতান স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত “সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)” অনুসরণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
​বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাউশির আওতাধীন কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী বা শিক্ষক যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি নির্দেশিকা পরিপন্থী, আপত্তিজনক, বিভ্রান্তিকর, অসত্য, নেতিবাচক কিংবা দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে—এমন কোনো স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও বা পোস্ট প্রকাশ করেন, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
​এমন কোনো নিয়মবহির্ভূত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কার্যক্রম নজরে এলে তা সংরক্ষণপূর্বক প্রমাণসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরাসরি মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ককে ইমেইলের (director.mew@gmail.com) মাধ্যমে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এছাড়া ​অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে ​সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/শিক্ষকের নাম, পদবি ও কর্মস্থল,​ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম ও আইডি/প্রোফাইলের লিংক
​পোস্ট বা স্ট্যাটাস প্রকাশের তারিখ ও সময়,​সংশ্লিষ্ট পোস্টের স্ক্রিনশট বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

শিক্ষাঙ্গনে দাপ্তরিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতেই এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, মাউশির যথাযথ তদারকির অভাব, দূর্নীতিবাজ জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ প্রধান শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের অর্থচুরি ও ক্ষমতার অপব্যবহারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সহকারী শিক্ষকদেরকে সামাজিক যোগাযোগে ক্ষোভ ঝাড়তে দেখা যায়। তাই নির্যাতিত সহকারী শিক্ষকদের মুখ বন্ধ করতে মাউশি এমন প্রজ্ঞাপন জারী করল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..