• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :
বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের সহায়তায় ১৮ সদস্যের প্রত্যাবাসন, দেওয়া হলো নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী রাস্তা পারাপারের সময় পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার, চালক আটক গায়ের রঙ নয়, যোগ্যতাই মানুষের আসল পরিচয়—ফেসবুকে আলোচনায় এক তরুণী সাংবাদিক দিনাজপুরে বিজিবির পৃথক অভিযানে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার বুড়িচং পৌরসভাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করা হবে: মেয়ার প্রার্থী কামাল হোসেন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ এ-র গুলীতে নিহত ১ জন,আহত ২ জন। সনাতন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, জবি শিক্ষার্থী মুহাম্মদ জুবায়েদের বিরুদ্ধে বুড়িচং প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

৪০ দিন পর নিখোঁজ সজীবের সন্ধান, মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিল পুলিশ

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ।  / ৩৬ দেখেছেন
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

প্রায় ৪০ দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর সজীব (২২) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের সন্ধান পেয়েছে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। পরে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ছেলেকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সজীবের মা।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পুরাতন মানিকদাহ এলাকার বাসিন্দা সজীব কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও শান্ত স্বভাবের। তিনি প্রায়ই গোপালগঞ্জ পুলিশ অফিস ও সদর থানার আশপাশে ঘোরাফেরা করতেন। পুলিশের পোশাক পরা কাউকে দেখলেই স্যালুট দিতেন।

গত ১৫ মে থেকে সজীব নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ২০ মে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর তাকে খুঁজে বের করতে অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ।

এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরিফ হায়দার নামে এক ব্লগারের একটি ভিডিও পুলিশের নজরে আসে। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তি ঢাকার মগবাজার ফ্লাইওভারের এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং নিজেকে ‘সজীব পুলিশ’ বলে পরিচয় দিচ্ছেন। ভিডিওটি দেখার পর গোপালগঞ্জ সদর থানার একটি দল ঢাকায় গিয়ে মগবাজার, মালিবাগ, রমনা, পল্টন ও কাকরাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ চালায়। তবে তখনও তার সন্ধান মেলেনি।

পরে গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন চন্দ্র দেবনাথ রাজধানীর রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিটে সজীবের বর্ণনা পাঠানো হয়। ডিএমপি কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে ট্রাফিক ও ক্রাইম বিভাগেও বার্তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভিডিও প্রকাশকারী ব্লগারের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হয়।

দীর্ঘ অনুসন্ধানের একপর্যায়ে গত ২৪ জুন বিকেলে সজীবের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরে তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গোপালগঞ্জ সদর থানা সূত্র জানায়, সজীবকে তার মায়ের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের উৎকণ্ঠার পর ছেলেকে ফিরে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা স্বস্তি প্রকাশ করেন।

সজীবের সন্ধান পেতে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..