• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :
রুহিয়ায় শুক নদীকে ঘিরে ভুমিহীন রবিউলের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে চালকদের নিয়মিত চোখের পরীক্ষা জরুরি—এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ভারপ্রাপ্তের ভারে মুখ থুবড়ে পড়েছে পাটগ্রামের সাব রেজিষ্ট্রি ও ভূমি অফিসের সেবা কার্যক্রম পাতলীতে পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র উদ্যোগে বাংলা কিউআর ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন দিনাজপূর (৪২ বিজিবি) ঠাকূরগাঁওয়ে পীরগঞ্জ সীমান্তে মদ আটক ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করবো, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন পানছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে রোপা আমান বীজ বিতরণ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী

বিপদ সীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপরে দুধকুমারের পানি সমাপ্তি ইসলাম

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি / ৯ দেখেছেন
আপলোড : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমার নদের পানি বেড়েই চলেছে। গত ৯ ঘণ্টায় দুধকুমার নদের পানি ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। নদীর তীরে বসবাস করা মানুষের মাঝে বন্য ও ভাঙন আতঙ্ক শুরু হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি আরো বৃদ্ধির সম্ভবনা রয়েছে। এতে স্বল্পমেয়াদী বন্য দেখা দিতে পারে। উপজেলা প্রশাসন বলেছে বন্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুকনো খাবার ও মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৯টায় দুধকুমার নদের পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ২৯ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার। গতকাল রোববার রাত ৯টায় যা ছিলো ২৯ দশমিক ৫৮ সেন্টিমিটার। দুধকুমার নদের পানির বিপদ সীমা ২৯ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। নদীর তীরে বসবাস করা মানুষের মাঝে বন্য ও ভাঙন আতঙ্ক শুরু হয়েছে।

দুধকুমার নদের তীরবর্তী ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা মুকুল ও রুবেল বলেন, পানি দ্রুত বাড়ছে, চরাঞ্চল তলিয়ে গেছে। লোকলয়ে পানি প্রবেশ করেছে। বন‍্যা দেখা দিয়েছে। নদী ভাঙন শুরু হতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যানদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে। নদী তীরবর্তী জনসাধারণকে সতর্ক করতে মাইকিং করা হয়েছে। বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নৌকা প্রস্তুত আছে। শুকনো খাবার ও মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রয়েছে।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার নদ-নদীর পানি আরো বাড়তে পারে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..