• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :
বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের সহায়তায় ১৮ সদস্যের প্রত্যাবাসন, দেওয়া হলো নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী রাস্তা পারাপারের সময় পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার, চালক আটক গায়ের রঙ নয়, যোগ্যতাই মানুষের আসল পরিচয়—ফেসবুকে আলোচনায় এক তরুণী সাংবাদিক দিনাজপুরে বিজিবির পৃথক অভিযানে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার বুড়িচং পৌরসভাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করা হবে: মেয়ার প্রার্থী কামাল হোসেন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ এ-র গুলীতে নিহত ১ জন,আহত ২ জন। সনাতন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, জবি শিক্ষার্থী মুহাম্মদ জুবায়েদের বিরুদ্ধে বুড়িচং প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মো: আমিনুল ইসলামকে মাসোহারা না দিলে ঘোরেনা যানবাহনের চাক

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১৬ দেখেছেন
আপলোড : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশ হলো আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট। হাইওয়ে পুলিশের শ্লোগান হলো সুশৃঙ্খল সুরক্ষিত মহাসড়ক। হাইওয়ে পুলিশের প্রধান কাজ হলো মহাসড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা,দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং যাত্রী,ড্রাইভারদের নিরাপদ যাতায়ত নিশ্চিতে কাজ করা। কিন্তুু তার বিপরীত কাজ করে যাচ্ছে ময়মনসিংহ নেত্রকোনা হাইওয়ে মহাসড়ক শ্যামগঞ্জ বাজারের পাশে পূর্বধলায় থানায় অবস্হিত শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানায় কর্মরত অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আমিনুল ইসলাম।

এলাকাবাসী ও বিভিন্ন যানবাহনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ড্রাইভারদের সূত্রে জানা জানা যায় শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানায় জয়েন করার পর থেকেই চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন। গাড়ীর বৈধ কাগজ ও ড্রাইভারদের লাইসেন্স থাকা সত্বেও টাকা না দিলেই মিথ্যা মামলার ভয় দেখান এবং টাকা দিতে বাধ্য করেন।

ড্রাইভারদের সূত্রে আরো জানা যায় কোন গাড়ির কাগজ না থাকলে বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ অল্প দিন থাকলে তাদেরকে বলেন,মাসিক মাসোয়ারা দিতে,তাহলে নাকি আর কোন কাগজ পত্র লাগবে না। পাশা পাশি তিনি বলেন,আপনারা শুধু আমার সাথে যোগাযোগ করবেন,এবং আপনাদের নাম্বার দিয়ে যাবেন এবং মাসের মাসোয়ারা আমার বিকাশ বা নগদ করা নাম্বারে পাঠাবেন।

ড্রাইভাররা বলেন,ওসি আমিনুল ইসলামের বিকাশ বা নগদ নাম্বার পুলিশের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষ চেক করলেই জানতে পারবে কি পরিমান টাকা তাহার বিকাশ বা নগদে মাসিক মাসোয়ারার টাকা আসে।

ড্রাইভাররা আরো বলেন, রেকারের কথা বলে তিনি মিথ্যা মামলা দিয়ে টাকা আদায় করেন,প্রকৃত পক্ষে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানায় কোন রেকার নাই।

এলাকা বাসী ও নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ড্রাইভাররা বলেন,এমন দুর্নীতি পরায়ন ওসি আমরা তাকে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানায় আর দেখতে চাই না,তাহার প্রত্যাহার সহ শাস্তি দাবী করি।

তথ্য সূত্রে জানা যায় ওসি আমিনুল ইসলাম নিজেকে বি এন পি পন্থি ওসি বলে নিজেকে দাবী করে এবং ড্রাইভারদের এভাবে ও ভয় দেখায়।

আমিনুল ইসলামের দেশের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার সবারচর,নরসিংদী জেলা শহরে ওসি মো: আমিনুল ইসলামের ছয়তলা বিল্ডিং সহ নামে বে নামে অসংখ্য জায়গা জমি রয়েছে।

এলাকাবাসী বলেন,শ্যামগঞ্জ বাজার একটি ঐতিহ্য বাহি বাজার,শুক্রবার সপ্তাহের বাজারের দিন,ফলে শুক্রবারে শ্যামগঞ্জ বাজারে জ্যামের সৃষ্টি হয়। ওসি আমিনুল ইসলাম শুক্রবারে বাড়ি চলে যান,রবিবারে এসে অফিস করেন।

শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি আমিনুল ইসলামের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করে তার বিরোদ্ধে আনিত অভিযোগ গুলো বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।

ময়মনসিংহ হাইওয়ে সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রণজয় চন্দ্র মল্লিকের কাছে ওসি মো: আমিনুল ইসলামের ড্রাইভারদের কাছ থেকে মিথ্যামামলা, চাঁদাবাজি ও অবৈধ সম্পদের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন,আমার এ সম্পর্কে জানা নাই।
অভিযোগ সত্য হলে আমাদের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো তাহার বিরোদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নিতে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..