হঠাৎ করেই গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন নতুন নতুন রোগী। হঠাৎ করেই শরীরে জ্বর, মাথা ব্যাথা, মাথা ঘোরা, শরীর একেবারে দূর্বল হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়া, উঠে দাঁড়াতে না পাড়াসহ নানা সমস্যায় পড়ে হাসপাতালে ভিড় করছেন অসংখ্য মানুষ। ডেঙ্গু পরীক্ষা করার সাথে সাথে এই সমস্ত লক্ষণের বেশির ভাগ রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন।
গাজীপুর মহানগর, কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ী, চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, মৌচাক, বাসন, শ্রীপুর, গাছাসহ বিভিন্ন শিল্প এলাকায় ব্যাপকহারে বেড়ে চলেছে এই রোগটি। এ অবস্থায় এলাকায় বসবাসরত শ্রমিক কর্মচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল গুলোতে ভিড় করছেন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীরা। হঠাৎ এই রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় বেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু থামছে না ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।
ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত সফিপুরের একজন রোগী বলেন আমি পুরোপুরিই সুস্থ ছিলাম কিন্তু হঠাৎ করেই কয়েকদিন আগে সকালে প্রচন্ড জ্বর আসে, মাথা ব্যাথা ও মাথা ঘোরে এবং শরীর দূর্বল হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। আমি আর একা একা চলতে পারি না। অল্প সময়ের মধ্যে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারকে দেখানোর পরে ডেঙ্গু টেস্ট করে পজেটিভ ধরা পড়ে। দীর্ঘ ১০ দিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে থাকার পরে আমি এখন সুস্থ হয়েছি।
গাজীপুর দেশের অন্যতম শিল্প এলাকা হওয়ায় ঘনবসতিতে পূর্ণ। এলাকার মিল কারখানা এবং বাসা বাড়ীর বর্জ্য এবং নোংরা পরিবেশ দ্রুত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করা দরকার। ডেঙ্গু রোগে সচেতনতা বৃদ্ধি করা দরকার। এজন্য স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের জন্য এবং সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।