• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন

তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ফিরোজ মাতব্বর এর বিরুদ্ধে মাদক আর্তসাধের অভিযোগ,,তথ্য ও সাধারণ জনগণের মতে বিষয়টি ভিত্তিহীন।

বিশেষ সংবাদ দাতা : / ৬০ দেখেছেন
আপলোড : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

কুষ্টিয়া দৌলতপুর থানার অন্তর্ভুক্ত তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ মাতব্বর ক্যাম্পে যোগদান করা প্রায় ৮ মাস অতিবাহিত হয়েছে, এসআই ফিরোজ মাতব্বর তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের দাইক্তগ্রহন এর পরপরই ধর্মদাহ,তেকালা,প্রাগপুর,আদা বাড়িয়া, সহ আশেপাশের সর্বস্তরের জনগণ শান্তিতে বসবাস করছে এমনটাই মনে করেন সুশীল সমাজ। স্হানীয় সুত্রে জানা যায় এসআই ফিরোজ মাতব্বর এর নেতৃত্বে এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা আর মাথা উচু করে দাড়াতে পারেনি, তিনি মাদক কে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন।

এদিকে ফেন্সিডিল নামক ভয়াবহ মাদকদ্রব্য টি ভারতে এবোর্ট কম্পানি থেকে উতপাদন হতো গতো কয়েক মাস যাবত এই মরন নাশক মাদকটির উতপাদন বন্ধ রয়েছে বলে ভারতের এবোর্ট কম্পানির ওয়েবসাইটের মাদ্ধমে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ফেন্সি ডিলের উতপাদন বন্ধ থাকায় বর্ডার ক্রস করে অবৈধভাবে দির্ঘ কয়েক মাস যাবত ঐ মরন নাশক মাদকটি আর বাংলাদেশে দেখা যায়না বললেই চলে। রাজা নাম গাঁজা মাদকদ্রব্য টি গত বছরে ভারতের কুচবিহার, আশাম প্রদেশে ভয়াবহ বন্যা ও লাগামহীন বৃষ্টির কারনে আগের মতো গাঁজার চাষ নেই বললেই চলে, যদিও মাদক ব্যবসায়ীরা গাঁজা সংগ্রহ করছে গত বছরের তুলনায় ২৫% এমনটাই ধারনা করা হচ্ছে, তাই গাঁজার দামও আকাশ ছোয়া।

সবকিছু মিলিয়ে ভারত থেকে মাদক ব্যবসায়ীরা জিরো পয়েন্ট ক্রস করে বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য অবৈধভাবে আমদানি অনেকটাই কম এমনটাই মনে করছেন সুশীল সমাজের উচ্চবর্গের জিরো পয়েন্টে বসবাস কারি ব্যক্তিরা। গত কয়েক দিন যাবত কয়েকটি দৈনিক জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টাল লক্ষ্য করে দেখা যায়।

তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোঃ ফিরোজ মাতব্বর এর বিরুদ্ধে ৪০০ বোতল ফেন্সি ডিল আর্তসাধের অভিযোগ উঠেছে অথচ গত কয়েক মাসে ১০০ বোতল ফেন্সিডিল দৌলতপুর উপজেলার কোথাও পাওয়া গেছে এমন ধরনের অভিযোগ বা মামলা ডিবি পুলিশ, বিজিবি, বা থানা পুলিশের জব্দ দেখা যায়নি।

এসআই ফিরোজের বিরুদ্ধে যাঁহারা স্বাক্ষ দিয়েছে তাদের নাম পরিচয় উল্লেখ করা হয় নাই। উক্ত বিষয়ে স্হানীয়দের সাথে কথা বললে তারা জানান ফেন্সিডিল আর দেশে নাই, এখন মানুষ ভারত থেকে আশা বাংলাদেশের ফিনারগান সিরাপের মতো দেখতে কিছুটা ঐটা খাচ্ছে মানুষ, ঐটাও খুবই কম আসছে ভারতের বর্ডারের অবস্থা ভালো না। ৪০০ বোতল ফেন্সিডিল ধরছে পুলিশ এটা বিশ্বাস যোগ্য না।

ফেন্সিডিল দেশে আছে নাকি এমনটাই মত প্রকাশ করেন সাধারন জনগন। প্রকাশিত নিউজ, ভারতের এবোট কম্পানির উৎপাদন, নাম প্রকাশ না করা স্বাক্ষী এবং সাধারণ জনগণের মতে ঐ সকল পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজের সত্যতা নিয়ে সাধারণ জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

তেকালা বাসী জানান এসএই ফিরোজ মাতব্বর যোগদানের পর এলাকায় ব্যাপক পরিমান মাদক নিয়ন্ত্রণ হয়েছে, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষনের মতো অপরাধ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তারই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন আগে ধর্মদহ পশ্চিম পাড়ায় ধর্ষনের ঘটনা ঘটলে উক্ত মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি মুগ্ধকে এসআই ফিরোজ মাতব্বর দ্রুত গ্রেফতার করে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করেন।

এস আই ফিরোজ মাতব্বর যোগদানের পর থেকে আমরা শান্তিতে বসবাস করছি। এদিকে ৪০০ বোতল ফেন্সিডিলের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই ফিরোজ বিষয়টি ভিত্তিহীন, অসত্য বলে উড়িয়ে দেন। উক্ত বিষয়ে দৌলতপুর থানার চৌকস অফিসার ইনচার্জ দ্যা ম্যাজিক ম্যান নামে পরিচিত মোঃ খালেদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ৪০০ বোতল ফেন্সিডিল ধরেছে এই ধরনের কোন তথ্য আমার কাছে আশে নাই, আমি কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানালে আমি এসআই ফিরোজ এর কাছে সত্যতা জানতে চাই তবে তিনি বিষয়টি অশিকার করেন। তবে তদন্ত চলমান রয়েছে, উক্ত বিষয়ে সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানাবো তারা ব্যবস্হা নেবে। তবে একন পর্যন্ত কোন ধরনের সত্যতা পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..