• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন :
বরিশালে মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘গণতন্ত্রমূলক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত চাঁদ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী, মোংলা বন্দরে আলোচনায় বশির উদ্দিন সাপাহারে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত আলেকান্দা সরকারি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় মাদকবিরোধী অভিযানে সুইপার কলোনি নুনিয়াপট্টি থেকে ১০ জন গ্রেপ্তার, ৯৬০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার ‎মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১৫,৬০০ লিটার অবৈধ সয়াবিন তেল জব্দ শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘উধাও’ হওয়ার প্রচার মিথ্যা,শিক্ষক অসীমের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত২০২৬খ্রি:

ঠাকুরগাঁওয়ে আলোচিত শিশু ধর্ষণ মামলার রায়: ৩ জনের আমৃত্যু, ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সিরাজুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁওয়ের:- / ৭৬ দেখেছেন
আপলোড : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

প্রায় ১৫ বছর আগে ঠাকুরগাঁওয়ে সংঘটিত বহুল আলোচিত একটি শিশু ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং অপর তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দণ্ডিতদের অর্থদণ্ড এবং ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে তাদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

রোববার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ আলী মনসুর এ রায় ঘোষণা করেন।

 

রায় অনুযায়ী, মো. আনিস রানা, সাইফুল ইসলাম ও মো. দুলালকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩) ধারায় আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অপরদিকে মো. আনিছুর, মো. খতিবুর খতু ও মো. লালুকে একই আইনের ৯(৩)/৩০ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী বান্ধবীর বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে অপহরণের শিকার হন। পরে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় এক ব্যক্তি এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। কয়েকদিন পর ঠাকুরগাঁও সদর থানায় এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়।

 

দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় দেড় দশক পর মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

 

রায় ঘোষণার সময় আমৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আনিস রানা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। উপস্থিত দণ্ডিতদের সাজা কার্যকরের জন্য কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. বদিউজ্জামান চৌধুরী বাদল বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পেয়েছেন। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..