• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
নওগাঁর ধামইরহাটে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০ পিচ টেপেন্ডাডলসহ দুইজন মাদক কারবারি গ্রেফতার গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা: মধুমতি লেকে প্রতিমা বিসর্জনের অনুমতি অষ্টম শ্রেণি পাস থেকে দুই পত্রিকার সম্পাদক ও মানবাধিকার সংগঠনের পদে—সুমনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ছোনাউটা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে ডা.মাহমুদা আলম মিতু এমপির মতবিনিময় যবিপ্রবি ম্যানেজমেন্ট ক্লাবের নেতৃত্বে সিফাত- তামিম কাঁঠালিয়ায় ৪৭ মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা দীঘিনালায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষকদের প্রতি সাইফুল ইসলামের শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা

আদাবরে আবাসিক এলাকায় দেহব্যবসার অভিযোগ: এনকে ড্রিমে আলমগীরকে ঘিরে চাঞ্চল্য

শাফায়েত হোসেন (গণচিঠি প্রতিবেদক): / ২৬ দেখেছেন
আপলোড : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

রাজধানীর আদাবর এলাকায় একটি আলমগীর নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেহব্যবসা পরিচালনা, মাদক সেবন ও নারীদের আটকে রেখে নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।অভিযুক্ত আবাসিক ভবনটি হল ১৪ নম্বর রোডের এনকে ড্রিম আবাসিক ভবন। ৬৬০ নম্বর ভবনের এটি ফ্ল্যাটে এসব কর্মকান্ড চালানো হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনটির দ্বিতীয় তলায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বয়সী নারীদের আনাগোনা রয়েছে। তাদের দাবি, সেখানে নিয়মিতভাবে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সম্প্রতি স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের বিষয়টি জানান। পরে সরেজমিনে গিয়ে কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। তাদের কয়েকজন নিজেদের নারায়ণগঞ্জ, সাভার ও উত্তরা থেকে আসার কথা জানান। তবে তারা কী উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কী,তা পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ফ্ল্যাটটিতে মাদক সেবনের পরিবেশ রয়েছে। অনুসন্ধানের সময় সেখানে মাদক সেবনের সরঞ্জাম, বিদেশি মদের বোতল, ব্যবহৃত কনডম ও একটি ছোট চাকু পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এসব আলামতের প্রকৃতি ও বৈধতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

আলমগীরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদকের দাবি। একই সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী বিভিন্ন ব্যক্তিকে ‘ম্যানেজ’ করে চলার কথাও তিনি বলেছেন বলে জানা গেছে। তবে তার বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড ও স্বাধীন যাচাই ছাড়া এ দাবিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

ভবনের কেয়ারটেকারের কাছ থেকেও বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, ভবনে দীর্ঘদিন ধরে অপরিচিত মানুষের যাতায়াত থাকলেও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, আবাসিক এলাকায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে স্থানীয় পরিবেশ ও তরুণ সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা উদঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের আরও দাবি, আলমগীরের বিরুদ্ধে নারী পাচার, মাদক কিংবা প্রতারণার মতো অন্য কোনো অভিযোগ বা মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হোক।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে আলমগীরের বক্তব্য, ভবনের মালিক বা কেয়ারটেকারের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

আবাসিক এলাকায় এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা আদাবর থানা ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..