• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন:
চাঁদাবাজি মামলায় জামিন পেলেন অগ্রযাত্রার দুই সম্পাদক চারুকলায় বিশেষ অবদান রাখায় ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন জিয়াউল হক জিয়া ‎খুলনা বিভাগে ১০ জেলায় ভোক্তার অভিযান: ২ লাখ টাকা জরিমানা বৈরাগে চেয়ারম্যান প্রার্থী লোকমান শাহর প্রতিশ্রুতি ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা সীমান্তে পুশ ইন চেষ্টা প্রতিহতের দাবি: নির্দিষ্ট স্থান-সময় প্রকাশ করেনি বিজিবি সোনারগাঁওয়ে বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিলেন মেম্বারপ্রার্থী নজরুল এমপির বক্তব্য শেষে ইউএনওর হাততালি, নিজেকে বিএনপির লিডার দাবি বেনাপোল বর্ডার দিয়ে ভারত থেকে ৩ জনকে বাংলাদেশে ফেরত কালীগঞ্জে স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে হত্যার দায়ে স্বামী রউফ সরদারের মৃত্যুদণ্ড নতুন করে সমাবর্তন ফি নির্ধারণ করল জবি প্রশাসন

মাটিরাঙ্গায় বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আবু রাসেল সুমন, নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯২ দেখেছেন
আপলোড : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই স্কুলের ৪টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙা উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে অবস্থিত হাকিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ে থাকা ৩টি জাম ও ১টি কনঁক গাছ এর মধ্যে একটি বজ্রপাতের কারনে মরা গাছ পাওয়া যায়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসকে অবগত না করে এবং ম্যানেজিং কমিটির কোনো রেজুলেশন ছাড়াই তিনি তা বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্হানীয়রা।

ছবি দৈনিক গণচিঠি, গাছ কাটার দৃশ্য

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটতে হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা ও বন বিভাগের কাছে লিখিত আবেদন করতে হবে। অনুমোদন দিলে তবেই প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটা যাবে। এই ধরনের প্রক্রিয়া বা অনুমোদন ছাড়া গাছ কাটা সরকারি বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে স্হানীয়রা জানান,
১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে অনেক প্রধান শিক্ষক এসেছে, আবার এমনও দেখেছি এখান থেকেই প্রধান শিক্ষকের কর্মজীবন শেষে অবসরে গিয়েছে। কেউ কখনো সাহস করেনি বিদ্যালয়
প্রাঙ্গণের সরকারী সম্পত্তি এই গাছ কেটে বিক্রি করার। তাই স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিদ্যালয়ের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, নাম
প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন , দীর্ঘ দিন ধরে এই স্কুলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন,
সরকারি সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেজুলেশন বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যক্তিগতভাবে কিভাবে গাছগুলো বিক্রি করেছেন তা বোধগম্য নয়।

আরও পড়ুন  ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ ও উৎকোচ দাবীর অভিযোগ

এবিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলামকে এবিষয়ে অবগত করা হয়েছে, স্যারের পরামর্শে আমি স্কুলের চারোপাশ জঙ্গল পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতে গিয়ে বজ্রপাতের কারনে মারা যাওয়া গাছ গুলো কেটে বিক্রি করে দিয়েছি । তবে বাস্তবে জঙ্গল কাটার দৃশ্যমান চিত্র পরিলক্ষিত হয়নি।

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, আমাকে একটি গাছের কথা বলা হয়েছে। বজ্রপাতের কারনে মরে যাওয়া গাছটি যেন শিশুদের ক্ষতির কারণ না হয় সেজন্য মৌখিক ভাবে সেই গাছটি কেটে ফেলার জন্য বলা হয়েছে। তবে বাকী তিনটি গাছ কাটার বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।

এবিষয়ে জানতে মাটিরাঙা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসে গিয়ে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..