
সারাদেশে প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাজারে। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার আব্দুল ওদুদ শাহ্ ডিগ্রি কলেজে এবার নজিরবিহীন ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। অন্যদিকে, কাক্সিক্ষত ফলাফল না আসায় কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে মিষ্টির বাজারে দেখা গেছে চরম মন্দা।
দামুড়হুদা কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কলেজটি থেকে সর্বমোট ৪৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১১৫ জন, আর অকৃতকার্য হয়েছে ৩৫৪ জন। পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৪.৫১ শতাংশে এবং কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি। ঐতিহ্যবাহী এই কলেজের এমন ফলাফলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। নিয়মিত পাঠদানের ঘাটতি ও তদারকির অভাবকেই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এদিকে, ফলাফল বিপর্যয়ের সরাসরি প্রভাব পড়েছে মিষ্টির বাজারে। প্রতিবছর ফল প্রকাশের দিনে শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদ্যাপন ও আত্মীয়-স্বজনদের মিষ্টিমুখ করাতে দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় থাকলেও এবার বুড়িচংয়ের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে ফল প্রকাশের পর বুড়িচং উপজেলার কেবিন ঘোষ, দাদা ভাই হোটেল, আদর্শ সুইটস, আদি ঘোষ ও নূরজাহানসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন ভান্ডারে আশানুরূপ ক্রেতা দেখা যায়নি। সন্ধ্যা পর্যন্ত মিষ্টির শোরুমগুলোতে স্বাভাবিক দিনের উৎপাদিত মিষ্টির বড় একটি অংশ অবিক্রীত থেকে যায়। বিক্রেতারা জানান, কাঙ্ক্ষিত ফল না আসায় পরিবারগুলোতে উদ্যাপনের আমেজ কম ছিল, যার ফলে মিষ্টির বাজারে এই মন্দাভাব দেখা দিয়েছে।