
গোপালগঞ্জ শহরের শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা মধুমিতা সরকার ওরফে চম্পা এবং তাঁর স্বামী শুভ প্রামাণিকসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও অভিভাবকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালংকার আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬(২) ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত এই আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষিকা মধুমিতা সরকার চম্পা ও তাঁর স্বামী শুভ প্রামাণিক (পিতা: সোনাতন সরকার, সাং: বড়বাড়ীয়া, থানা: চিতলমারী, জেলা: বাগেরহাট) বিভিন্ন অজুহাতে সরলতার সুযোগ নিয়ে অভিভাবকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন গোপালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার একাধিক ব্যক্তি। ক্ষতিগ্রস্ত অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন মোল্লাহাটের সুজন বিশ্বাস, কাশিয়ানীর শারমিন আক্তার, খাটিয়াগড়ের নিপা এবং মোংলার রেজাউল করিম। ভুক্তভোগীদের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মধুমিতা সরকার চম্পা বা তাঁর স্বামী শুভ প্রামাণিক বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬(২) ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি । তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো ধরনের নির্ভরযোগ্য তথ্য বা সন্ধান কারও জানা থাকলে অবিলম্বে নিচের নম্বরটিতে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে: প্রধান অভিযোগকারী (রুমা): ০১৩১৫-৪৬৬৪০১
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অবিলম্বে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার এবং ভুক্তভোগীদের আত্মসাৎকৃত অর্থ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।