• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন:
ধর্মপাশায় জমি নিয়ে বিরোধ ও সালিশে জোরপূর্বক টিপসই নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ বেনাপোল আইসিপি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য আটক বদলি ও ৯ম পে-স্কেলসহ ৩ দফা দাবিতে মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা আত্রাইয়ে জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ দিনাজপুরে নিরাপত্তার দাবিতে এমপির বাসা ও থানায় নারীদের অবস্থান নওগাঁর সাপাহারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পরিবারিক আয় বৃদ্ধি করতে শ্যামনগরের কৃষকদের হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ গাজীপুরে পিবিআই কর্মকর্তা আলতাফের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ চাঁদাবাজি মামলায় জামিন পেলেন অগ্রযাত্রার দুই সম্পাদক

কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি সংকট: বাড়তি দামেও মিলেনা গ্যাস, জণগণের নাভিশ্বাস

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ / ৩৪ দেখেছেন
আপলোড : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

গাজীপুর কালিয়াকৈরে উপজেলার হরতকিতলা, আমতলা,মাইওয়ান, চন্দ্রা,পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক সহ বিভিন্ন দোকানে তীব্র এলপিজি সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার গ্যাস। সরবরাহ না থাকায় বসুন্ধরা, ওমেরা,আই গ্যাস দুবাই-বাংলাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিলার পয়েন্টে ঝুলছে তালা।

গত এক সপ্তাহ ধরে সংকট চলায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের মধ্যে পোশাক কলকারখানা ও নানা পেশাজীবী শ্রমিকদের রান্না নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও কালিয়াকৈর বাজারে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল।

তবে গত সপ্তাহের শুরু থেকে হঠাৎ সরবরাহ কমতে শুরু করে। সপ্তাহের শেষদিকে সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।স্থানীয় এক বাসিন্দা মোঃ সাইদুর রহমান জানান, মাত্র কয়েকদিন আগেই ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকার মধ্যেই এলপিজি গ্যাস পাওয়া যেত।

এখন দাম বেড়ে ২৫০০ টাকা থেকে ২৬০০ টাকা বিক্রি করছে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী অতি তাড়াতাড়ি এই অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে।

নিম্নবিত্ত সাধারণ শ্রমিকের বেশি দাম দিয়ে এলপিজি গ্যাস কেনার সামর্থ্য নেই তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে বাজার মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

রোববার এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের আগেই বাজারে থাকা কিছু সিলিন্ডার ২ হাজার ২ শত থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। এরপর গত তিন-চার দিন ধরে বাজারে এলপিজি প্রায় হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। বাড়তি দাম দিতে রাজি থাকলেও অনেকেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না সাধারণ নিম্নবিত্ত মানুষ।

আরও পড়ুন  সরকার জনগণের প্রতি খুবই আন্তরিক : হুমায়ুন কবির।

হরতকিতলা গ্রামের বাসিন্দা কলিম উদ্দিন জানান, তিনি জি-গ্যাস ব্যবহার করেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে জি-গ্যাসের সরবরাহ নেই। গ্যাসের সন্ধানে তাকে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।তিনি বলেন, শহরের অধিকাংশ মানুষ ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে কাঠ বা খড়ি দিয়ে রান্নার সুযোগ নেই। ফলে এলপিজিই তাদের প্রধান ভরসা।

বাজারে গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।দুবাই-বাংলা এলপিজির পরিবেশক মতিয়ার রহমান জানান, সরকারিভাবে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ানো হলেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।

সরবরাহ না থাকায় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।তিনি আরও জানান, বসুন্ধরা ও ওমেরা এলপিজির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না পরিবেশকেরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..