• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
হেডলাইন:
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬ অনুষ্ঠিত বরিশালে জেলেপল্লীর মৎস্যজীবীদের মানবেতর জীবনযাপন: বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি আত্রাইয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিকসভা অনুষ্ঠিত  বুড়িচংয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে পরিবহনে তল্লাশি; আটক-৩ রাজপথ থেকে Wrexham University’র মঞ্চ, MSc অর্জনের পরও ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে তানভীর প্রেম দ্রোহের কবি রবি ডাকুয়ার সাড়া জাগানো কবিতা – “এখনই থেমে গেলে কেন?” সার বিক্রিতে অনিয়ম, ডিলারকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা মাগুরায় বিএনপি নেতা মশিউর হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব গ্রেপ্তার মানবতার সেবায় মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের নতুন যাত্রা খুলনায় চাঞ্চল্যকর তুষার হত্যা মামলার আসামি আরিফ গ্রেফতার

অবৈধ ওষুধ বিক্রির তথ্য সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ২৫ দেখেছেন
আপলোড : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

  1. .জামালপুরে সাংবাদিককে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের দাবি

জামালপুর পৌরসভার দয়াময়ী মোড় সংলগ্ন এলাকায় কথিত অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এক নাগরিক সাংবাদিককে হেনস্তা, হুমকি, মারধর এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক এস এম সায়েম হোসেনের অভিযোগ, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে দয়াময়ী মোড় সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত লোহানী মেডিকেলে কথিত অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে যান তিনি। এ সময় দোকানের স্বত্বাধিকারী রাসেল লোহানী তার তথ্য সংগ্রহে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি , মোবাইল ফোনটি ফেরত নেওয়ার সময় তাকে মারধর করে জোরপূর্বক দোকানের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েকজনের উপস্থিতিতে তাকে হুমকি ও হেনস্তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী।

থানায় সাধারণ ডায়েরি: ঘটনার পর আইনগত প্রতিকার চেয়ে জামালপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এস এম সায়েম হোসেন। তার করা জিডির নম্বর ১২০৪, তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

জিডিতে ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের দাবি:  ঘটনাস্থল ও আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকার কথা উল্লেখ করে ভুক্তভোগী সাংবাদিক দাবি করেছেন, ঘটনার সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ফুটেজ সেখানে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তার অভিযোগ, ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট দোকানের সিসিটিভি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ফলে ঘটনার সময়ের ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করা হয়েছে কি না, কিংবা কোনোভাবে তা পরিবর্তন বা অপসারণ করা হয়েছে কি না- এ বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন  মোংলায় পুলিশের কড়া চেকপোস্ট, যানবাহনে তল্লাশি

ভুক্তভোগীর দাবি, ১৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার সময়কে কেন্দ্র করে লোহানী মেডিকেলের সিসিটিভি ফুটেজের পাশাপাশি আশপাশের প্রতিষ্ঠান ও সড়কের ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র উদঘাটনে সহায়তা হতে পারে।

কথিত অবৈধ ওষুধ বিক্রির অভিযোগের তদন্ত দাবি: সাংবাদিক এস এম সায়েম হোসেনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সংশ্লিষ্ট দোকানে কথিত অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি হয়ে আসছে। এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।

তিনি দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট দোকানের বৈধ কাগজপত্র, ওষুধের অনুমোদন, বিক্রির বৈধতা এবং বিক্রি করা ওষুধের ধরন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং ঘটনার সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তদন্ত নিরপেক্ষ করার দাবি: ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহের সময় তাকে হেনস্তা, হুমকি ও শারীরিকভাবে বাধা দেওয়া হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তিনি ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে দ্রুত তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ ও পরীক্ষা, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে লোহানী মেডিকেলের স্বত্বাধিকারী রাসেল লোহানীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে, কথিত অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির অভিযোগেরও যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..