• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
হেডলাইন:
ধর্মপাশায় জমি নিয়ে বিরোধ ও সালিশে জোরপূর্বক টিপসই নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ বেনাপোল আইসিপি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য আটক বদলি ও ৯ম পে-স্কেলসহ ৩ দফা দাবিতে মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা আত্রাইয়ে জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ দিনাজপুরে নিরাপত্তার দাবিতে এমপির বাসা ও থানায় নারীদের অবস্থান নওগাঁর সাপাহারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পরিবারিক আয় বৃদ্ধি করতে শ্যামনগরের কৃষকদের হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ গাজীপুরে পিবিআই কর্মকর্তা আলতাফের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ চাঁদাবাজি মামলায় জামিন পেলেন অগ্রযাত্রার দুই সম্পাদক

​’ধর্ম যার যার, উৎসবও তার তার’: পূজায় মুসলমানদের সতর্ক থাকার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৭৮ দেখেছেন
আপলোড : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

 

প্রতিটি মানুষকেই তার ধর্মের উউসব এবং ইবাদত স্বাধীন ও নিরাপত্তার সাথে করতে দেওয়া উচিৎ।তবে পূজার সিজনে মুসলমানদের সাবধানতা পূজার সিজনে অনেককেই লোক মুখের বিভিন্ন প্রচারণায় পূজা ও ইবাদতকে এক মনে করে ফেলতে দেখা যায়। অথচ পূজা ও ইবাদত সম্পূর্ণই ভিন্ন দুই জিনিস। কিন্তু কীভাবে? আসুন জেনে নেওয়া যাক।

 

সঙ্গার পার্থক্য:
পূজা হচ্ছে, স্রষ্টার প্রতীকির সামনে প্রতীকির নাম নিয়ে ভক্তি-শ্রদ্ধার নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরন করে শ্রদ্ধা জানানো। পক্ষান্তরে ইবাদতে সরাসরি স্রষ্টার কাছে স্রষ্টারই নাম নিয়ে ভক্তি-শ্রদ্ধা ভরে স্রষ্টার সন্তুষ্টি কামনা করা হয়।

 

অবয়বের পার্থক্য:
পূজাতে স্রষ্টার নির্দিষ্ট গুণ বা শক্তির কাল্পনিক অবয়বকে মেনে নেওয়া হয়। পক্ষান্তরে ইবাদত হয় সামাদ সত্তার। যিনি দেহ ধারণ এর প্রয়োজনের ঊর্ধ্বে।

 

রূপের বিভিন্নতা :
একেক পূজায় একেক গুণের অবয়ব ও দেহকে কল্পনা করতে গিয়ে স্রষ্টার একাধিক রূপ হিন্দু সমাজে লক্ষ করা যায়। যা মুসলিম সমাজে প্রয়োজন হয় না। এ সমাজে স্রষ্টার আলাদা রূপের চিন্তা করতে না হওয়ায় এ জাতীয় ঝামেলা থেকেই বেঁচে থাকা সহজ হয়েছে।

 

নামের বৈপরিত্যতা :
খুব স্বাভাবিক, রূপ-দেহ ভিন্ন হওয়ায় স্রষ্টার প্রতীকির একাধিক নাম ও বৈশিষ্ট্যের কথাও একজন পূজারীকে জানার ঝামেলায় পড়তে হয়। যা মুসলিমদের বেলায় প্রয়োজন হয় না।

 

মাবুদে মাবুদে বিভিন্নতা :
পূজায় স্রষ্টার নির্দিষ্ট গুণ বা শক্তির কাল্পনিক অবয়বকে মেনে নেওয়া হয় বিধায় স্রষ্টার সামগ্রিক গুণ ও পূর্ণ সত্তার দিকে পূজারীর লক্ষ থাকে না। অথচ ইবাদতে একজন মুসলিম সর্বশক্তিমান আল্লাহর সত্তা ও তাঁর সমগ্র গূণাবলীর দিকেই নজর দিয়ে থাকে।

চাওয়ার ভিন্নতা :
পূজায় স্রষ্টাকে উপেক্ষা করে স্রষ্টার প্রতীকির কাছে চাওয়া হয়। আর ইবাদতে সরাসরি স্রষ্টার কাছেই চাওয়া হয়। অন্য কারো কাছে নয়।

 

আরও পড়ুন  চাঁদাবাজি কমেছে ৩৭.৩৭ শতাংশ, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারে ৩৮ বিজিবির অভিযান

উপকরণের ভিন্নতা :
পূজায় নির্দিষ্ট কিছু সামগ্রী রাখতেই হয়। যা ছাড়া পূজা হয় না। উদাহরণত- ফুল, চন্দন, তুলশী পাতা, মূর্তি ইত্যাদি। পক্ষান্তরে ইবাদতে এমন শর্ত-শারায়েত নেই। একজন গরীবও যে কোনো সময়, যে কোনো স্থানে পূজা দিতে পারে।

 

উপরের পার্থক্যসমূহের কারণে পূজা শিরক ও মারাত্মক অপরাধ বলে বিবেচিত। পক্ষান্তরে ইবাদত দাসত্বের বহিঃপ্রকাশের সর্বোচ্চ মাধ্যম ও মর্যাদার কারণ। আল্লাহ আমাদের এতদুভয়ের পার্থক্য অনুধাবন করে পূজা থেকে বেঁচে ইবাদতে আত্বনিমগ্ন হওয়ার তওফিক দান করেন। আমিন!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন..